অবশেষে একটা ট্রফি এলো বার্সায়

গেল মৌসুমটা কেটেছে ট্রফিবিহীন। তারপর তো সমালোচনার বিষাক্ত তীরে ক্ষতবিক্ষত বার্সেলোনা। হলো কতোশত নাটকীয়তা! ক্লাবের কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ছাড়তে চাইলেন ক্লাবটা। তুললেন নানা অভিযোগ। সবশেষে নতুন মৌসুম শুরুর আগে অবশ্য কাঙ্খিত একটা ট্রফির স্বাদ পেল কাতালানরা।

এলচেকে হারিয়ে মৌসুম শুরুর আগেই ট্রফি জেতার স্বাদ পেলো বার্সেলোনা। কাতালানরা লিসিটানসদের হারালো ১-০ গোলে। বার্সার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ফরাসী ফরোয়ার্ড আঁতোয়া গ্রিজম্যান। বার্সেলোনা ক্লাবের সাবেক খেলোয়াড়, একসময়ের সভাপতি।

শুধু তাই নয়, একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও ছিলেন জন গ্যাম্পার। আর তার স্মৃতির উদ্দেশ্যেই গত ৫৫ বছর ধরে মৌসুম শুরুর আগে এই ম্যাচটা খেলে আসছে কাতালানরা। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। প্রতিবার প্রতিপক্ষ বদলের নিয়মে, এবার ন্যু ক্যাম্পে অতিথি হয়ে আসে এলচে।

৫ বছর পর প্রিমেরা লিগে ফিরে আসা দলটার বিপক্ষে তাই পরিষ্কার ফেভারিট ছিলো মেসিরাই। ফুটবলারদের সাথে একের পর এক বিতর্কে জড়ালেও, ম্যাচের দিন খুব বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করেননি রোনাল্ড কোম্যান।

গ্রিজম্যানকে মূল ফরোয়ার্ডের জায়গা দিয়ে, দু’পাশে রাখেন আনসু ফাতি এবং লিওনেল মেসি’কে। তাদের পেছনেই ছিলেন কৌতিনিয়ো-বুস্কেটসরা। যথারীতি গোলপোস্ট সামলানোর জন্য এদিনও দায়িত্ব পড়ে ব্রাজিলিয়ান নেতোর ওপর।

ম্যাচ শুরু হতেই, কোচের আস্থার প্রতিদানটা ভালোভাবেই দেন ফরাসী ফরোয়ার্ড। দুই মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। জর্ডি আলবার ক্রস থেকে স্কোরশিটে নাম লেখান গ্রিজম্যান। তবে, গোল হতেই যেন শেষ হয়ে যায় কোম্যানের জারিজুরি।

মাঝ মাঠ দখলে নিয়ে ছোট ছোট পাসে পুরো মাঠ মাতিয়ে রাখেন কাতালান ফুটবলাররা। কিন্তু, গোলমুখে গিয়ে শুন্য হাতে ফিরতে হয় সবাইকে। বিরতি থেকেই ফিরেও ভাগ্য বদলাতে পারেনি কোন দল। ফরোয়ার্ডদের নিদারুণ ব্যর্থতাগুলো শেলের মতো বিঁধেছে দুই কোচের বুকে। ২৪ বার শট নিলেও মাত্র ১০বার লক্ষ্য ঠিক রাখতে পেরেছিলো বার্সার ফুটবলাররা।

যদিও, এডগার বাডিয়াকে বোকা বানাতে পারেননি তারা। আর কোন গোল না হলে নূন্যতম ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সা। এ নিয়ে টানা ৮ বার জন গাম্পার ট্রফি জিতলো কাতালানরা। এবার নতুন মৌসুমের চ্যালেঞ্জ নেয়ার অপেক্ষায় এখন বার্সেলোনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *