অবশেষে মুক্ত হলেন ভারতের শ্রীশান্ত।

দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে অবশেষে ক্রিকেটে ফেরার জন্য মুক্ত হলেন ভারতীয় দলের ব্যাডবয়খ্যাত ডানহাতি পেসার শ্রীশান্ত। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে ২০১৩ সালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। যা শেষ হলো আজ (১৩ সেপ্টেম্বর)।

ফলে আগামীকাল অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে সবধরনের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে খেলতে পারবেন শ্রীশান্ত। যদিও বয়সের কাঁটা ৩৭ ছুঁয়ে ফেলায় এখন ক্রিকেটে ফেরা তার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিংই হবে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না হলেও অন্তত দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট বিশেষ করে আইপিএলে খেলার লক্ষ্য শ্রীশান্তের।

নিষেধাজ্ঞা মুক্তির জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন শ্রীশান্ত। যেন সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ফিরতে পারেন, তাই ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনুশীলনও করেছেন তিনি। এখন নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় নিজের মনে শান্তি অনুভব করছেন পাগলাটে স্বভাবের এই পেসার।

ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে শ্রীশান্ত বলেছেন, ‘আমি স্বাধীনতা পেয়েছি, আবার মাঠে নামার স্বাধীনরা পেয়েছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় শান্তির বিষয়। আমি জানি না, অন্য কেউ বুঝতে পারবে কি না এটা আমার জন্য কত বড় বিষয়।’

তিন আরও যোগ করেন, ‘দীর্ঘ অপেক্ষার পর আমি আবার খেলতে পারব। কিন্তু এখন দেশে খেলার মতো সুযোগ নেই। কোচিতে আমি একটি স্থানীয় টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিলাম, যাতে করে মাঠে ফিরতে পারি। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে এখন সেটিও সম্ভব নয়।

মাঝে একসময় খেলা ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবলেও, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। শ্রীশান্তের ভাষায়, ‘মাঠে ফেরার জন্য গত মে মাস থেকে আমি আমার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করছি। কিন্তু যখন খবরে পড়লাম, এ মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেট হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তখন মুষড়ে পড়েছিলাম। খেলা ছেড়ে দেয়ার কথাও ভেবেছিলাম। তবে এরপরই মনে পড়ল আবার মাঠে ফেরার জন্য আমি অনেক পরিশ্রম করেছি।

সবশেষ ২০১৩ সালের মে মাসে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছিলেন শ্রীশান্ত। সে বছরের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচটিই ছিলো তার শেষ ম্যাচ। ভারতের হয়ে সবশেষ ২০১১ সালের ইংল্যান্ড সফরে মাঠে নেমেছিলেন ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি ও ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী এ পেসার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *