অলসতম একাদশ, আছেন সৌম্য

স্পোর্টস ডেস্ক: মানুষের সবচেয়ে খারাপ দিকের একটি হলো অলসতা। এজন্য জীবনে অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত হতে হয়। পৌঁছানো যায় না অভিষ্ট লক্ষ্যে। আমাদের চারপাশে অনেক অলস প্রকৃতির মানুষের দেখা মেলে। অলসতার নজির আছে ক্রিকেটেও।

কিছু ক্রিকেটার আছেন যাদের সামান্য আলসেমির কারণে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায়। তেমন অলস ক্রিকেটারদের নিয়ে একটি একাদশ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে আছেন বাংলাদেশের ব্যাটিং অলরাউন্ডার সৌম্য সরকারের নামও। একাদশে আরও রয়েছেন বিখ্যাত সব খেলোয়াড়রা-

রোহিত শর্মা: ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে বোলারদের ঘাম বের করে ছাড়েন রোহিত শর্মা। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব দৃষ্টিনন্দন শট খেলার যোগ্যতা রাখেন। তবে রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে খুবই অলস ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, আইপিএলের দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের এই অধিনায়ক।

ক্রিস গেইল: সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের একজন ক্রিস গেইল। অনায়াসেই চার-ছয় মারার ক্ষমতা থাকায় বিশ্বের যেকোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টেই দারুণ চাহিদা আছে তার। তবে ফিটনেস নিয়ে বরাবরই অলসতার পরিচয় দিয়েছেন এই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান তারকা ক্রিকেটার।

সরফররাজ আহমেদ: সরফরাজ আহমেদের হাত ধরে ২০১৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা জেতে পাকিস্তান। এজন্য এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান যতটা না সমাদৃত, উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে হাই তোলার জন্য তার থেকেও বেশি সমালোচিত।

সৌম্য সরকার: সৌম্য সরকারের ব্যাটিং প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আগামী দিনে বাংলাদেশের ক্রিকেটের হাল ধরবেন যে কয়জন, সৌম্য তার মধ্যে অন্যতম। তবে সাতক্ষীরার এই ক্রিকেটারের ফিল্ডিংয়ে আলসেমির কারণে ইতোপূর্বে টাইগারদের অনেক মাশুল দিতে হয়েছে।

মোহাম্মদ শেহজাদ: দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা আছে মোহাম্মদ শেহজাদের। যেটা আফগানিস্তানকে ভালো শুরু এনে দিতে সাহায্য করে। তবে এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান যে কতটা অলস সেটা দেখা যায় তার শরীরের দিকে তাকালেই।

হারিস সোহেল: বাঁহাতি স্পিনের পাশাপাশি মিডল অর্ডারে ভালো ব্যাটিং করা হারিস সোহেলের অলসতার জায়গা হলো ফিল্ডিং।

সুনিল নারিন: বাজে ফিটনেসের কারণে সুনিল নারিন অলস নামে পরিচিত। এমনকি ফিটনেস টেস্টে পাস না করার কারণে অতীতে অনেকবার জাতীয় দলে জায়গা হয়নি এই স্পিনিং অলরাউন্ডারের।

কুলদীপ যাদব: বল হাতে যতটা কার্যকরী, ফিল্ডিংয়ে ততটাই অলস। তাই চায়নাম্যান বোলিংয়ে অনেক সাফল্য পেলেও অধিকাংশ সময় ভারতীয় দলে জায়গা হয় না কুলদীপের।
তাবরাইস সামসি: ফিল্ডিংয়ে অনেক অলস তাবরাইস সামসি। এজন্য কোয়ালিটিফুল স্পিন বোলিং করার পরও প্রায়ই সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হন সামসি।

লাসিথ মালিঙ্গা: ইয়র্কার যে একটা শিল্প হতে পারে, ক্রিকেট বিশ্বকে সেটা দেখিয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা। তবে এই ডানহাতি পেসারের বাজে ফিল্ডিং সম্পর্কেও বেশ ভালো ধারণা আছে ভক্ত-সমর্থকদের।

মোহাম্মদ ইরফান: গতির সাথে দুর্দান্ত লাইন-লেন্থে বোলিং করার ক্ষমতা থাকার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলার শুরুতে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ ইরফান। তবে মিস ফিল্ডিংয়ের প্রবণতা এই পেসারকে বর্তমানে জাতীয় দলের বাইরে ঠেলে দিয়েছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.