আফগানিস্তানকে ইসলামি আমিরাত ঘোষণা!

আফগানিস্তানে একটি অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করেছে তা’লেবা’ন। এছাড়া দেশটিকে ইসলামি আমিরাতও ঘোষণা করেছে তারা।সরকারপ্রধান করা হয়েছে জাতিসংঘের কালোতালিকাভুক্ত ও তা’লেবা’নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুনদকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের হন্যে হয়ে খোঁজা হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান সিরাজউদ্দিন হাক্কানি।

গত দুই দশকে তালেবানের সবচেয়ে প্রা’ণঘা’তি হা’ম’লাগুলোর জন্য দায়ী করা হচ্ছে হাক্কানি নেটওয়ার্ককে। যার মধ্যে ২০১৭ সালে একটি ট্রাক বো’মা বি’স্ফো’রণও রয়েছে। ওই হা’ম’লায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নি’হ’ত হয়ে’ছিলেন। হাক্কানি নেটওয়ার্ককে স’ন্ত্রা’সী গো’ষ্ঠী ঘোষণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। আল-কায়েদার সঙ্গেও এই নেটওয়ার্কের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

গেল ১৫ আগস্ট আগের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে রাজধানী কাবুলসহ আফ’গানিস্তানের অধিকাংশ অংশ দখল করে তালে’বান। ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রিসভা গঠনের এই ঘোষণা তা’লেবানের সরকার গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সরকারকে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করতে বলেছে তা’লেবানের শীর্ষ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুনদজাদা।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারস্পরিক মর্যাদা ও সংলাপের মাধ্যমে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য সব দেশের সঙ্গে জোরালো ও উন্নত সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় তালেবান। এতে কেবল শর্ত থাকবে যে ইসলামিক আইন ও জাতীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘ’র্ষিক না; এমন আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তির প্রতি সম্মান দেখাবে তারা।

এখন পর্যন্ত হেবাতুল্লাহ আখুনজাদাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। গত মাসে তা’লে’বান আফ’গানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এই প্রথম তার কাছ থেকে কোনো বিবৃতি এসেছে। এর আগে তা’লেবান বলেছে, তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করতে চায়। কিন্তু মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) যে সরকার গঠন করা হয়েছে, তাদের সবাই তা’লেবান নেতা।

মোল্লা হাসান আখুনদ এর আগের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালে’বান সরকা’রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এফবিআইয়ের পরিচিতি অনুসারে, ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে কাবুলের একটি হা’ম’লার জন্য জেরা করতে তাকে খোঁজা হচ্ছে। ওই হা’ম’লায় এক মার্কিন নাগরিকসহ ছয় বেসামরিক নাগরিক নি’হ’ত হয়েছিলেন।

Sharing is caring!