আবারও রোড ডিভাইডারে উঠে গেল বাস

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস রোড ডিভাইডারের ওপর উঠে গেছে। এতে রোড ডিভাইডার ভেঙে এক পথচারী নি’হ’ত হয়েছেন। আ’হ’ত হয়েছেন দুজন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে এ দু’র্ঘটনা ঘটে বলে পল্ট’ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন মিয়া নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শ্রাবণ পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রোড ডিভাইডারের ওপর ওঠে যায়। এতে রাস্তার পাশে থাকা পথচারীদের অন্তত তিনজন আহত হন। হাসপাতালে একজন মা’রা গেছেন। পল্টন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সেন্টু মিয়া জানান, শ্রাবণ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় আহতদের ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর একজন মা’রা গেছেন। নি’হ’তের নাম শুক্কুর মাহমুদ (৪০)।

আরো পড়ুন: বাবার বয়স ৪৪, ছেলের ৫০! নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রায়শই কার্ডে নানা ভুলের অভিযোগ পাওয়া যায়। যেমন ভুলের জন্য বাবার বয়স ছেলের চেয়ে দশ বছর কম হয়ে গেছে, মায়ের নামের জায়গায় বসে গেছে বাবার নাম।

মো. জামাত আলী। তার প্রকৃত বয়স ৭৫ হলেও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বর্তমান (২৩ অক্টোবর) বয়স ৪৪ বছর ২ মাস ২৯ দিন। জামাত আলীর ছেলে মো. মনিরুল ইসলামের বয়স ৫০ বছর। বাবার চেয়ে ছেলে ছয় বছরের বড়।মো. জামাত আলীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মতে, তার জন্ম ১৯৭৭ সালের ৪ আগস্ট।

অন্যদিকে তার ছেলে মো. মনিরুল ইসলামের জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর লেখা আছে। সে হিসেবে বাবার ছয় বছর আগে ছেলের জন্ম হয়েছে! জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুলের কারণে জামাত আলীর বয়স্ক ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে। জামান আলী চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত উজির মণ্ডলের ছেলে।

গত ছয় বছর যাবত জামাত আলী বয়স্ক ভাতার আওয়াভুক্ত ছিলেন। গত বছরে উপজেলা সমাজসেবা অফিস তথ্য হালনাগাদের পর জাতীয় পরিচয়পত্র বয়স কম থাকায় তার ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। তখন ধরা পড়ে জামাত আলীর বয়স কম। সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী ৬৫ বছর হলেই পুরুষ বয়স্ক ভাতার আওতাভুক্ত হবেন। সেই অনুযায়ী ৬ বছর আগে হলে ৩৮ বছর থেকে জামাত আলী বয়স্ক ভাতার আওতাভুক্ত হয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা সমাজসেবা কার্যালয় বলছে, বয়স্ক ভাতার জন্য বয়স নির্ধারণটা জরুরি। এ জন্য ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে বয়স নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে কার্যক্রম অনলাইনে হওয়ার কারণে বয়স কম হওয়ায় বাদ পড়েছেন জামাত আলী। এদিকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বর্তমান লোকবল দিয়ে নির্ভুল পরিচয়পত্র দেওয়া সম্ভব কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কিছুদিন আগে দায়িত্বটি অন্য কোনো সংস্থার কাছে ন্যস্ত করার কথাও উঠেছিল।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.