এখন আলাদা কিছু করতে গেলে সমস্যা হতে পারে : মাশরাফি

২০১৮ সালে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাবার পর ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের জন্য রিচার্ড হ্যালস্যাল আর খালেদ মাহমুদ সুজন অনুশীলন পর্ব পরিচালনা করেছিলেন । ওই সময়ে তাদের অধীনেই শুরু হয়েছিল তিন জাতি ক্রিকেট ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজের প্রস্তুতি।

তারপরও ২৪ ঘন্টা আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন কোচ কে? তাহলে আমি বলবো মাশরাফি আর সাকিব। ওদের ওপরই ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। সিনিয়রদের হাতেই সব দায়িত্ব।’

তবে সেসময়ে মাশরাফি বিন মর্তুজা আর সাকিব আল হাসানকে নিয়ে বিসিবি সভাপতির এ মন্তব্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হলেও একটা প্রশ্ন উঠেছিল, আসলে কোচ কে? তবে কি খালেদ মাহমুদ সুজন আর রিচার্ড হ্যালস্যাল নামমাত্র কোচ? তাদের কাজ শুধু কোচিং করানো, আসল দায়-দায়িত্ব দুই অধিনায়ক মাশরাফি ও সাকিবেরই?

এরপর দিন নাজমুল হাসান পাপনের অমন মন্তব্যের পর থেকে এই গুঞ্জন কিন্তু তৈরি হয়েছে। ব্যাংককে প্রায় সপ্তাহখানেক কাটিয়ে ঐদিন প্রথম প্র্যাকটিসে যোগ দেয়া মাশরাফি বিন মর্তুজার কাছেও ছুঁড়ে দেয়া হয়েছিল প্রশ্ন, ‘তবে কি সত্যিই কোচ নেই, সিনিয়রদের ওপরই সব দায়-দায়িত্ব?’

সেদিন মাশরাফি জবাবে যা বলেছিলেন, তার সারমর্ম ছিল এই যে, আসলে বোর্ড সভাপতি হেড কোচের অনুপস্থিতিতে সিনিয়রদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বোঝাতে গিয়েই বলেছেন এমন কথা। তার মানে এই নয় যে তাদেরকেই কোচের ভূমিকা নিতে হবে। এমন নয় যে তিনি আর সাকিবই কোচিং করাবেন।

বরং সাবেক ওয়ানডে অধিনায়কের ধারণা ছিল, সিনিয়র ক্রিকেটারদের দায়িত্ব সচেতনতা বাড়াতেই অমন কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি। আর যদি তার বাইরে তাদেরকে সত্যিই বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হয়, তাহলে হ-য-ব-র-ল অবস্থার উদ্রেক ঘটতে পারে।

সেদিন বিসিবি একাডেমি মাঠে দাঁড়িয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপে তাই মাশরাফির সোজা সাপটা উচ্চারণ করে বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় না, আলাদা কিছু করতে হবে। উনি (বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন) সিনিয়র খেলোয়াড়দের দায়িত্বের বিষয়টা বুঝিয়েছেন। সেটা সব সময়ই থাকে।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.