ওদের পরিবারকে জামায়াত-শিবির বলিনি: কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার

নিহত বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদের পরিবার জামায়াত শিবির, এরকম কোনো বক্তব্য দেননি বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত। বুধবার (০৯ অক্টোবর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি একথা জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, কবর জিয়ারত শেষে তার বাবা ও আত্মীয় স্বজনের সাথে সাক্ষাৎ করে ভিসি মহোদয় ঢাকায় ফিরে যান। তখন পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক, সহ অন্যান্যরা কুষ্টিয়া ফিরে আসেন। কিছু কিছু গণমাধ্যম কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের উদ্ধৃতি দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচার করছে যে, আবরার ফাহাদ এর পরিবার জামায়ত শিবির।

কিন্ত পুলিশ সুপার মহোদয় সেখানে কোন বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন নাই। কিছু স্বার্থন্বেষী মহল অতিরঞ্জিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলে ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য এসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছাড়াচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু কিছু গণমাধ্যম পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচার করছে যে, আবরার ফাহাদ এর পরিবার জামায়াত-শিবির। কিন্তু পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়া সেখানে কোনো বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন নাই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বুয়েট ভিসি আবরারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এবং তার কবর জিয়ারত করতে গেলে এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখায়। এ সময় ভিসিকে আবরারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেয় এলাকাবাসী।

এ কারণে বুয়েট ভিসি কবর জিয়ারত শেষে আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। এরপর ভিসি ফেরার জন্য গাড়িতে উঠে রওয়ানা হলে রাস্তা রোধ করে শুয়ে পড়েন আবরারের ফুফাতো ভাইয়ের স্ত্রী তমা। এসময় নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার সময় ধস্তাধস্তি হয়।

এসময় পুলিশ তমাকে মারপিট করছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়; তারা ভিসির ওপর চড়াও হন। এসময় পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তিতে আবরার ফাহাদের ভাই ফায়াজসহ তিনজন আহত হন।তবে আবরার ফাহাদের ভাই ফায়াজ দাবি করেছেন, পুলিশ তার গায়ে হাত তুলেছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*