ওসি প্রদীপের পর এবার তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে বড় অভিযোগ!

অঢেল সম্পত্তির প্রমাণ পেয়েছে ওসি প্রদীপ এর বি’রুদ্ধে অ’ভিযানে নেমে দুদক। দীর্ঘদিন থেকে চলমান তারেই অ’নৈতিক কর্মকা’ন্ড এবং বিভিন্নভাবে তার উপার্জন এখন প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ দু’র্নীতি দমন কমিশন ওসি প্রদীপ এর বিভিন্ন সম্পদ এর অনুসন্ধানে নেমেছে এবং অনুসন্ধানে দেখা গিয়েছে চট্টগ্রামের নগরীর ছয় তলা একটি বাড়ির মালিক প্রদীপের স্ত্রী’ চুমকি এবং এই জায়গাটি রয়েছে উপদ্বীপের শশুরের নামে এবং শশুরের নামে থাকা জায়গাটিতে অবস্থিত বাড়িটি দানপত্র হিসেবে তার স্ত্রী’র নামে দেখানো হয়েছে।

টেকনাফ থা’নার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমা’র দাসের স্ত্রী’ চুমকির বি’রুদ্ধে অ’বৈধভাবে সম্পদ গড়ার অ’ভিযোগে দু’র্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মা’মলায় যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মোজাম্মেল হক খান। এছাড়া সংস্থাটি প্রদীপ দম্পতির ব্যাংক একাউন্টসসহ সম্পদ জ’ব্দ করতে আইনি পক্রিয়াও শুরু করবে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজারের টেকনাফ থা’নাধীন মেরিন ড্রাইভ রোডে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ পর আলোচনায় আসেন পু’লিশ কর্মক’র্তা প্রদীপ কুমা’র দাস। সম্প্রতি তার সম্পদের অনুসন্ধানও শুরু করে দুদক।অনুসন্ধানে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটার ৬ তলা একটি বাড়ির মালিক প্রদীপ দম্পতি চু’মকি।

২০০৬ সালে শ্বশুরের নামে জায়গাটি কিনেন প্রদীপ। এরপর ওই জায়গায় ৬ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ করেন। ২০১৩ সালে শ্বশুরের নামে থাকা সেই বাড়িটি স্ত্রী’র নামে দানপত্র হেসেবে দেখান প্রদীপ কুমা’র দাস। এছাড়া প্রদীপ দম্পতির মৎস্য ব্যবসা থেকে বছরে দেড় কোটি টাকার হিসেব দেখানো হলেও অনুসন্ধানে মৎস্য ব্যবসার প্রমাণ পায়নি দুদক।

আয়কর নথিতে কমিশন ব্যবসা থেকেও আয় দেখিয়েছেন প্রদীপ দম্পতি। কিন্তু কমিশন ব্যবসার লাইসেন্সসহ এ সং’ক্রান্ত কোনো নথি পায়নি দুদক। দুদক জানায়, ৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা সম্পদের কোনো উৎসই দেখাতে পারেননি প্রদীপ দম্পতি চুমকি। তবে প্রদীপ ও তার স্ত্রী’র ভা’রতসহ বিদেশে বাড়ী ও সম্পদ গড়ার দালিলিক প্রমাণ মেলেনি এখনো।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে প্রদীপ দম্পতি চুমকি একজন গৃহিণী। সে কোনো ব্যবসা করেন না। সম্পদ বৈধ করতেই প্রদীপ দম্পতির এ ফন্দি। এমন কিছু থেকে থাকলে অবশ্য বেরিয়ে আসবে। স্ত্রী’ চুমকির নামে যত সম্পদ: প্রদীপ দাশের স্ত্রী’ চুমকি গৃহিণী হলেও দুদকে জমা দেয়া হিসাব বিবরণীতে তাকে মৎস্য খামা’রি হিসেবে দেখানো হয়েছে।

১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূলধনে শুরু করা মৎস্য খামা’রে চুমকি প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন। মৎস্য চাষের লাভের টাকায় কিনেছেন চট্টগ্রাম নগরীতে জমি, গাড়ি-বাড়ি। হিসাব বিবরণীতে চুমকির স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে- নগরীর পাথরঘাটা এলাকায় চার শতক জমি (দাম ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা)।

ওই জমিতে গড়ে তোলা ছয়তলা ভবনের (মূল্য এক কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার); পাঁচলাইশে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কেনা হয় ৬ গণ্ডা ১ কড়া ১ দন্ত জমি (দাম এক কোটি ২৯ লাখ ৯২ হাজার ৬০০ টাকা); ২০১৭-১৮ সালে কেনা হয় কক্সবাজারে ঝিলংজা মৌজায় ৭৪০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট (দাম ১২ লাখ ৩২ হাজার টাকা)।

সব স্থাবর সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে তিন কোটি ৫৯ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ টাকা। এছাড়া অস্থাবর সম্পদের মধ্যে দেখানো হয়েছে- প্রাইভেট’কার (দাম পাঁচ লাখ টাকা), মাইক্রোবাস (দাম সাড়ে ১৭ লাখ টাকা) ও ৪৫ ভরি স্বর্ণ। ব্যাংকে ৪৫ হাজার ২শ টাকা দেখানো হয়েছে।

দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মোজাম্মেল হক খান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রদীপ দম্পতির আয়বহির্ভূত সম্পদ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন দুদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়। প্রতিবেদনটি কমিশন কতৃক গৃহীত হলে মা’মলা দায়ের হবে। একই সাথে আ’দালত কতৃক অনুমতি নিয়ে প্রদীপ দম্পতির ব্যাংক একাউন্টসসহ সম্পদ জ’ব্দের পক্রিয়াও শুরু করা হবে।

দুদকের একজন কর্মক’র্তা জানায়, প্রদীপ কুমা’র দাশের বি’রুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অ’ভিযোগ ওঠায় ২০১৮ সালের জুনের মাঝামাঝি প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রদীপ ও তার স্ত্রী’ চুমকির নামে অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পান দুদক কর্মক’র্তারা।

এরপর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য তাদের চিঠি দেয়া হয়। একই বছরের মে মাসে তারা সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দেন। একই বছরের ১৮ নভেম্বর দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের কর্মক’র্তারা প্রদীপ ও তার স্ত্রী’র সম্পদের বিষয়ে প্রতিবেদন ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে পাঠান। তবে ঢাকা কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় স’ম্পর্কে কিছুই জানানো হয়নি। ফাইলটি সেখানেই স্তিমিত হয়ে পড়ে। সম্প্রতি প্রদীপ বরখাস্ত হওয়ায় ফাইলটি সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে দুদক।

টেকনাফ থা’নার ওসি প্রদীপ কে নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন অ’ভিযোগ অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন সহ বিভিন্নভাবে সাধারণভাবে তিনি অর্থ উপার্জন করেছেন এমন টাই অ’ভিযোগ করেছে অনেকে এবং স্ত্রী’র নামের রয়েছে বিপুল পরিমাণ সম্পদ দীর্ঘদিন থেকে তার এই অ’বৈধ পথে উপার্জন মানুষ স্বচক্ষে দেখে আসলেও কিছু বলার কোন স্বার্থ ছিল না তবে বর্তমানে সিনহা মোহাম্ম’দ রাশেদ খান এর মা’মলা জড়িত!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *