কঠিন দুঃসময়ে ইরান !

ওমান উপসাগরে বুধবার আগুনে পুড়ে ডুবে গেছে ইরানের নৌবাহিনীর সর্ববৃহৎ রণতরী। স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিটে রণতরীটিতে আগুন লাগে। ফায়ার ব্রিগেট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার। কিন্তু তাদের চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়ে আগুনে পুড়ে ডুবে যায় ৬৭৯ ফুট দৈর্ঘ্যের রণতরীটি।

জানা গেছে, রণতরীটিতে ৪০০ জন নাবিক ছিলেন। তাদের মধ্যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বেশ কয়েকজন জন আহত হয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

‘ইরানের অধিকার কেড়ে নিয়েছে জাতিসংঘ’ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার দেশের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে এই বিশ্ব সংস্থা অথচ আমেরিকার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে

ইরান খাদ্য ও জরুরি ওষুধপত্র কিনতে পারছে না- সে বিষয়টি উপেক্ষা করে চলেছে জাতিসংঘ।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাওয়াদ জারিফ এক টুইটার পোস্টে বলেন, “কাগজে-কলমে জাতিসংঘ ইরানকে তার ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করল।”

এর একদিন আগে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ভলকানো বোজরিখকে লেখা এক চিঠিতে জানিয়েছেন, ইরানকে ভোটের অধিকার ফিরে পেতে হলে এক কোটি ৬২ লাখ ৫১ হাজার ডলার পরিশোধ করতে হবে।

এ সম্পর্কে জাওয়াদ জারিফ তার টুইটারে লেখেন, “ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের বিষয়টি জাতিসংঘ মোটেই বিবেচনা করেনি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান খাদ্য কেনার মত জরুরি কাজে অর্থ ব্যয় করতে পারছে না সে বিষয়টিও উপেক্ষিত থেকে গেছে।”

জাতিসংঘ সনদের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে যেসব দেশ দুই বছর জাতিসংঘকে বার্ষিক চাঁদা দিতে ব্যর্থ হবে, সাধারণ পরিষদে তাদের ভোটের অধিকার বাতিল হবে। এই কারণে ইরান, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র,

কমোরোস, কঙ্গো, লিবিয়া, নাইজার, সাও তোমে এন্ড প্রিনসিপ, দক্ষিণ সুদান এবং জিম্বাবুয়ের ভোটের অধিকার বাতিল হয়েছে।মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা অর্থ সংগ্রহ করতে পারছে না ইরান। ফলে জাতিসংঘের চাঁদা দিতে পারেনি দেশটি।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.