কিপিংয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে যা জানালেন নান্নু

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। স্ট্যান্ডবাইয়ের তালিকায় আছেন ২ জন। স্কোয়াডে উইকেটরক্ষক আছেন তিনজন। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে উইকেটকিপিং কে করবেন সেটা নিয়ে তাই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে ধারাবাহিকভাবে উইকেটের পেছনে দাঁড়াচ্ছেন নুরুল হাসান সোহান। গ্লাভস হাতে সোহানের পারফরম্যান্সও এককথায় অসাধারণ। দারুণ কিপিংয়ের কারণে বেশ প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। কিন্তু সোহান দলে সুযোগ পাওয়ার আগে নিয়মিত উইকেটকিপিং করতেন মুশফিকুর রহিম।

সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরের মাঝপথে হুট করেই দেশে ফিরে আসতে হয় মুশফিকুর রহিমকে। সেই সফরে প্রথম দুই ওয়ানডেতে কিপিং করেন লিটন কুমার দাস আর শেষ ওয়ানডেতে গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন নুরুল হাসান সোহান। তারপর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও সবগুলো ম্যাচে কিপিং করেন সোহান।

জিম্বাবুয়ে থেকে ফিরেই টাইগাররা হোম সিরিজ খেলতে নেমে যায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। পারিবারিক কারণে লিটন আর সঠিক সময়ে বায়োবাবলে প্রবেশ করতে না পারার কারণে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ খেলতে পারেননি লিটন আর মুশফিক। দলের একমাত্র কিপার সোহানই তাই সেই সিরিজে কিপিং করেন।

সিরিজজুড়ে সোহানের দুর্দান্ত কিপিং সকলের নজর কাড়ে। পাকাপাকিভাবে সোহানকে কিপিংয়ের দায়িত্ব দিয়ে দেওয়ার দাবিও ওঠে স্বাভাবিকভাবেই। চলমান নিউজিল্যান্ড সিরিজেও এখন পর্যন্ত হওয়া সবগুলো ম্যাচেই কিপিং করেছেন সোহান। তৃতীয় ম্যাচ থেকে মুশফিকের কিপিং করার কথা থাকলেও তিনি সেটা করতে চাননা বলে জানান।

তাই সোহানই কি পাকাপাকিভাবে টি-টোয়েন্টিতে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বটা পেয়ে গেলেন কিনা সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসলেও চলমান ঘটনা থেকে আঁচ করা যায় কিপিংয়ের দৌঁড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সম্ভবত নুরুল হাসান সোহানই।

কিপিং ইস্যুতে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু অবশ্য বলটা ঠেলে দিয়েছেন টিম ম্যানেজমেন্টের কোর্টে, “কিপিংয়ের পরিকল্পনাটা কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টের ওপর। দল নির্বাচন আমরা করি অবশ্যই সেখানে তিনজন কিপার আছেন। টিম ম্যানেজমেন্ট যখন যাকে মনে করে তাকে কিপিং করাবে।”

একনজরে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্কোয়াড: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সৌম্য সরকার, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান সোহান, নাসুম আহমেদ, শামীম হোসেন পাটোয়ারি। স্ট্যান্ডবাই: রুবেল হোসেন ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

Sharing is caring!