ক্রিস গেইলকে ছাড়িয়ে গেলেন লেন্ডল সিমন্স

সিপিএল (ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ) এর ২০২০ সালের আসরে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। শাহরুখ খানের মালিকানাধীন এই ফ্র্যাঞ্চাইজির ৪র্থ সিপিএল শিরোপা জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান লেন্ডল সিমন্সের।

ফাইনালে অপরাজিত ৮৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হওয়া লেন্ডল সিমন্স ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের তো বটেই, টুর্নামেন্টেরই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ১১ ইনিংসে ব্যাট করে ৩৯.৫৫ গড়ে ৩৫৬ রান করেছেন সিমন্স। ৩ ফিফটিতে এই রান করতে সিমন্স হাঁকিয়েছেন ২৬ চার ও ২০ টি ছক্কা, স্ট্রাইক রেট ১২২.৩৩।

ফাইনালে ৮৪* রান করার পথে দারুণ এক রেকর্ড গড়েছেন সিমন্স। ক্রিস গেইলকে টপকে সিপিএল ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এখন সিমন্স। ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স ছাড়াও সিপিএলে সিমন্স খেলেছেন গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স, জ্যামাইকা তালাওয়াস, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস ও সেন্ট লুসিয়া স্টার্সের হয়ে।

প্রসঙ্গত, এবছর সেন্ট লুসিয়া জুকসের পক্ষে খেলার কথা থাকলেও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সিপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন ইউনিভার্স বস। লেন্ডল সিমন্স ও ক্রিস গেইল ছাড়া আরো দুই ব্যাটসম্যান সিপিএলে ২০০০ এর বেশি রান করেছেন- আন্দ্রে ফ্লেচার ও জনসন চার্লস।

সিপিএল ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক- ১. লেন্ডল সিমন্স- ৮২ ম্যাচে ২৪৩৬ রান, ২. ক্রিস গেইল- ৭৬ ম্যাচে ২৩৫৪ রান, ৩. আন্দ্রে ফ্লেচার- ৭৮ ম্যাচে ২০৮১ রান, ৪. জনসন চার্লস- ৭৮ ম্যাচে ২০৫৬ রান, ৫. কাইরন পোলার্ড- ৮১ ম্যাচে ১৯৬৬ রান, ৬. চ্যাডউইক ওয়ালটন- ৮১ ম্যাচে ১৮০৩ রান,

৭. এভিন লুইস- ৬৯ ম্যাচে ১৭৮৭ রান, ৮. কলিন মুনরো- ৫৪ ম্যাচে ১৭৫৩ রান, ৯. ড্যারেন ব্রাভো- ৮১ ম্যাচে ১৭২৬ রান, ১০, শোয়েব মালিক- ৫৬ ম্যাচে ১৭০৭ রান। উল্লেখ্য, জ্যামাইকা তালাওয়াস ও বার্বাডোস ট্রাইডেন্টসের হয়ে সিপিএলে মোট ৩০ টি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব আল হাসান। যার ২৫ টিতে ব্যাট করে সাকিব রান করেছেন ৩৫৪।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *