চূড়ান্ত ধাপে গ্লোবের টিকা

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের তৃতীয় বা চূড়ান্ত ধাপের জন্য প্রস্তুত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের অগ্রগতি, সাফল্য, প্রতিবন্ধকতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই মাসে সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম, ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে আমরা একটা রেগুলেটর অ্যানিমেল ট্রায়াল করবো। আমাদের ওই অ্যানিমেল ট্রায়াল শেষ পর্যায়ে। সামনের সপ্তাহের শুরুতে আরেকটা সংবাদ সম্মেলন করে রেগুলেটর অ্যানিমেল ট্রায়ালের ডাটা সবাইকে জানাবো।

অ্যানিমেল ট্রায়ালের ডাটা নিয়ে আমাদের সিআরও বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদে (বিএমআরসি) আর্টিকেল অ্যাপ্রোভালের জন্য আবেদন করবে। আর্টিকেল অ্যাপ্রোভাল পেয়ে গেলে এগ্রিমেন্ট শুরু হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা প্রচুর স্বেচ্ছাসেবীদের সাড়া পাচ্ছি। অনেকে মেইল করছে, মেসেজ পাঠাচ্ছে- ‘যে আমরা স্বেচ্ছাসেবী হতে চাই’। এটা আসলে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকলের উপর নির্ভর করে। এই ভলেন্টিয়ার রিক্রুটমেন্ট সিআরও করেন। এটায় আমাদের কোনো কন্ট্রোল নেই। যে ক্রাইটেরিয়া আছে সেই অনুযায়ী সিআরও সিলেকশন করবে কারা ভলেন্টিয়ার রিক্রুটমেন্ট করবে।

এদিকে নিজের দেশে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে নিজের শরীরে প্রয়োগ করতে চান গ্লোব বায়োটেকের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা। জানা গেছে, তার ছোট ভাই কোভিড-নাইন্টিনে আক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছেন। তাই ভাইরাসটির টিকা আবিষ্কার প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে নাজনীন সুলতানা বলেন, আমার ছোট ভাই চট্টগ্রাম মেডিকেলের ডাক্তার ছিলেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি। আমরা নিজের প্রডাক্ট ও দেশে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে নিজের শরীরে প্রথম প্রয়োগ করতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *