জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেলো টাইগাররা

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেলো টাইগাররা

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেলো টাইগাররা। এ ম্যাচে জিতে সুপার লিগের এই সিরিজে পূর্ণ ৩০ পয়েন্ট পেলো বাংলাদেশ। এর আগে আজ (মঙ্গলবার) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ জিতে প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ দিতে গেলে সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাট করতে পাঠায় টাইগাররা। এর আগে ৪৯.৩ বলে ২৯৮ রানে অল আউট হয় স্বাগতিকরা। জবাবে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায়।

৭৭ ম্যাচে বাংলাদেশে জিতেছে ৪৯টিতে। আজকের জয় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করলো। প্রথম কোনো দলের বিপক্ষে এমন মাইলফক স্পর্শ করলো টাইগাররা। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য এখন প্রতিটি ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। ২০ পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশ আজ জিতে আরও ১০ পয়েন্ট পেল। তাতে সুপার লিগে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করল বাংলাদেশ।

হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে আগে বোলিং করছে বাংলাদেশ। টস জিতে তামিম ইকবাল বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় ম্যাচটি শুরু হয়। দুই ওপেনার রেগিস চাকাবা ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি সাবধানী ব্যাটিংয়ে দলের রান বাড়াচ্ছেন। নিয়মিত বিরতিতে আসছে বাউন্ডারি। তাতে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ হয়। জিম্বাবুয়ে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে। হাতে বল ছিল ৩টি।

চাতারার লেন্থ বল লং অন দিয়ে সীমানার বাইরে পাঠালেন তামিম। ৯৬ থেকে তার রান পৌঁছে গেল একশতে। ১১ ইনিংস পর তামিম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি পেলেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার ১৪তম সেঞ্চুরি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যা চতুর্থ। ৮৭ বলে সেঞ্চুরিতে পৌঁছেছেন তামিম। ওয়ানডেতে এটি তার দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১০ সালে ৯৪ বলে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন তিনি।

৯৭ বলে ১১২ রান করে তামিম ফেরেন সাজঘরে। ৮ চার ও ৩ ছক্কায় তামিম সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন। কিন্তু ইনিংসটি বড় করতে পারেননি বাংলাদেশের ওপেনার। তামিম আউট হবার পরের বলেই সাজঘরের পথ ধরেন মাহমুদউল্লাহ। ডানহাতি ব্যাটসম্যান টিরিপানোর ভেতরে ঢোকানো বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। ক্যারিয়ারের ২০০তম ওয়ানডে খেলতে নেমে গোল্ডেন ডাককে সঙ্গী করলেন মাহমুদউল্লাহ।

বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। ৩৭ বলে ৩২ রান করে বিদায় নেন লিটন। তামিমের সঙ্গে যোগ দিয়ে ৫৯ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। ৪২ বলে ৩০ রান করে ফিরে যান সাকিব। ৩১ ওভার পর ২ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৯২ রান। ১৭ বলে ১০ রান করেছেন মোহাম্মদ মিঠুন।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, নুরুল হাসান সোহান, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: তাদিওয়ানাশে মারুমানি, রেগিস চাকাভা, রায়ান বার্ল, ব্রেন্ডন টেলর, ডিয়ন মায়ার্স, ওয়েসলে মাধভের, সিকান্দার রাজা, লুক জঙ্গি, টেন্ডাই চাতারা, ব্লেসিং মুজুরাবানি এবং ডোনাল্ড টিরিপানো।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.