তামিমকে যেভাবে বোকা বানিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক বর্তমান বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বাংলাদেশের হয়ে ৩৪৫ ম্যাচ খেলে ১৩,৩৬৫ রান করেছেন দেশসেরা এই ওপেনার। ব্যাট হাতে দারুন এক ব্যাটসম্যান হলেও বল হাতে তাকে সেভাবে দেখা যায়না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই পর্যন্ত ৩৬ টি, অর্থাৎ ৬ ওভার।

আর একবার বল করতে এসে তামিম বোকা বনে গিয়েছিলেন। আর তামিমকে বোকা বানিয়েছিলেন আর কেউ নয় স্বয়ং এবি ডি ভিলিয়ার্স। ২০০৮ সালে দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের ২য় ওয়ানডে ম্যাচ। প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ মাত্র ১৭৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। সেই সহজ লক্ষ্য ভালভাবেই তাড়া করে ম্যাচ জিতেছিল প্রোটিয়ারা, যদিও ম্যাচ জিততে ৪৮.১ ওভার পর্যন্ত খেলা লেগেছিল তাদের।

৭ উইকেটে জয় পাওয়া সেই ম্যাচে দক্ষিন আফ্রিকার জয়ের জন্য যখন ১২ বলে এক রান দরকার ছিল তখন তামিমের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। তামিম যখন বলে এলেন তখন স্ট্রাইক প্রান্তে ৬৩ রানে ব্যাট করছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। অপর প্রান্তে জেপি ডুমিনি ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। স্বভাবত সেই ওভারটি মেডেন দিয়ে পরের ওভারে একটা সিঙ্গেল নিলে ডুমিনির ফিফটি হয়ে যাবে।

তামিম নিজেও ভেবেছিেলন এমন যে তিনি ওই ওভারটা মেডেন দিতে চলেছেন। কিন্তু তেমন হয়নি। মারকুটে ডি ভিলিয়ার্স প্রথম বলেই ডাউন দ্যা উইকেটে এসে তামিমকে বিশাল বড় একটা ছক্কা হাঁকান। এতে করে তামিম বোকা বনে যান। তামিম একদা এক লাইভে এসে এমনটাই জানান যে সেদিন তিনি বোকা হয়ে গিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্সের কাছে।

তামিম বলেন, ‘আমি ভাবলাম ওভারটা আমি মেডেন নিব। কেননা ডুমিনির ফিফটি করতে ১ রান দরকার। ডি ভিলিয়ার্স হয়ত মেডেন দিয়ে পরের ওভারে ডুমিনিকে ফিফটি করতে দিবে। ওমা, আমার প্রথম বলেই ডি ভিলিয়ার্স ছক্কা মেরে বসল! আমি সেদিন পুরাই বোকা হয়ে গিয়েছিলাম।‘

উল্লেখ্য, তামিম ইকবাল এর পর আর একটা ওয়ানডে ম্যাচে বল হাতে নিয়েছিলেন। ২০১০ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ০.৫ ওভার বল করে ৭ রান দেন। তাছাড়া টেস্টে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, শ্রীলংকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও বল ঘুরিয়েছেন তিনি। তবে উইকেট পাননি একটাও!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *