তামিমকে ১টি নতুন বুদ্ধি শিখিয়ে দিলেন আশরাফুল

গতকাল হঠাৎ করেই আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তামিম ইকবাল খান। হাঁটুর ইনজুরির কারণে সর্বশেষ কয়েকটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারেননি। তাই বর্তমানে যারা দলে আছেন তাদের জায়গা নষ্ট করতে চান না বাংলাদেশ ওয়ানডে দলপতি।

সর্বশেষ কয়েকটি সিরিজে ফর্মে নেই সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাসরা। এজন্য বিশ্বকাপে তামিমের মতো অভিজ্ঞ ওপেনারকে দরকার বলে মনে করেন মোহাম্মদ আশরাফুল।এমতাবস্থায় তামিমকে নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বলছেন বাংলাদেশের প্রথম তারকা ক্রিকেটার।

জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফর্মের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।বিশ্বকাপে সে ধারা অব্যাহত রাখতে দলে তামিমের থাকার কোনো বিকল্প দেখছেন না আশরাফুল। এজন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবির নির্বাচকদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধের নায়ক।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আশরাফুল বলেন, ‘তামিম ইতোমধ্যে জানিয়েছে যেন তাকে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে না রাখা হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, যদিও সে শেষ কয়েকটা সিরিজে খেলেনি। এজন্য বলছে বিশ্বকাপে খেলা তার জন্য ঠিক হবে না।

টানা সিরিজ জিতে বাংলাদেশ এই মুহূর্তে ভালো অবস্থায় আছে।’ ‘নাঈম শেখ ছাড়া আমাদের বাকি দুজন ওপেনার ফর্মে নেই। বিশ্বকাপে তামিম থাকলে ভালো করার সুযোগ থাকবে।সর্বশেষ কয়েকটা সিরিজে ভালো করায় খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। আমি মনে করি, তামিমের নিজের সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা উচিত।

সেই সাথে নির্বাচকরাও তামিমকে নিয়ে ভাবতে পারে।’ যোগ করেন আশরাফুল। গতকাল দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় তামিম বলেন,‘কিছুক্ষণ আগে আমাদের বোর্ড সভাপতি পাপন ভাই এবং প্রধান নির্বাচক নান্নু ভাইকে ফোন করেছিলাম। তাদের সঙ্গে কিছু জিনিস শেয়ার করেছি, যেটা এখন সবার সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।

আমি তাদের বলেছি যে, মনে হয় না আমার বিশ্বকাপ দলে থাকা উচিত।‘সবচেয়ে বড় কারণ, বেশ কিছুদিন ধরে আমি এই ফরম্যাটে খেলছি না। দ্বিতীয়ত ইনজুরি। অবশ্য আমার মনে হয় না ইনজুরি এত বড় সমস্যা। আশাকরি, ওয়ার্ল্ড কাপের আগে ঠিক হয়ে যাবে।

কিন্তু যে জিনিসটা আমার কাছে প্রধান মনে হয়, আমি সর্বশেষ ১৫-১৬টা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেলিনি। এই সময়ে আমার জায়গায় যারা খেলছিল তাদের জায়গা নষ্ট করাটা মোটেও ফেয়ার হবে না।’ যোগ করেন তামিম।

Sharing is caring!