তালেবান রুখতে নতুন কৌশল ভারতের!

আফগা’নিস্তানে তা’লেবা’নের উত্থানে খুবই চিন্তিত ভারত। আর তাই নিরাপত্তায় কোনো ফাঁক রাখতে চাইছে না প্রশাসন। সংবাদ সংস্থা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকায় বলা হয়েছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সশ’স্ত্র সীমা বল, সিআরপিএফ ও উগ্রবাদী মোকাবিলার কাজে যুক্ত রাজ্যের বিশেষ বাহিনীগুলোকে তা’লেবান প্রতিরোধে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। প্রয়োজন পড়লে কোনো কোনো রাজ্যপুলিশকেও এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার কাজ করা হবে।

আনন্দবাজার জানায়, আফগা’নিস্তানের মসনদে তালে’বানের বসার বিষয়টি ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে প্রশাসনের অন্দরে। ওই কারণেই ভারতীয় স্থল বাহিনীর কয়েকটি বিভাগকে এই বিষয়ে কৌশল আরো মজবুত করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বদলাতে বলা হয়েছে রণনীতিও। কারণ ভারত মনে করছে, ‘তা’লেবানের উ’ত্থান ভারতের ভৌগোলিক, রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।’

এতে বলা হয়, পাশাপাশি যে নির্দেশনামা দেয়া হয়েছে, তাতে আশ’ঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, তালে’বানের উ’ত্থানের ফলে ভারতের অনুপ্রবেশের ঘটনা আরো বাড়তে পারে, মূলত প্রভাবিত হতে পারে ভারতের পশ্চিম সীমান্ত। তাই ওই বিষয়েও নজরদারি বাড়াতেই হবে। নাম না করে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, একটি তালে’বান প্রতিরোধী মডিউল তৈরির কথাও ভাবা হচ্ছে।

যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ভারতের প্রতিবেশী দেশে, ওই দিকে নজর রেখেই এই মডিউলের গতিপথ নির্ধারণ করা হবে। কারণ সকলের কাছে তা’লেবানের পরিচয় স্পষ্ট হওয়া জরুরি। তিনি বলেছেন, সীমান্তের কোনো চেকপোস্টে যে শেষ সেনা জওয়ান নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন, তার কাছেও তা’লে’বানের কৌশল স্পষ্ট থাকা জরুরি। তাহলেই তিনি মোকাবিলা করতে পারবেন।

তিনি বলেন, এই কর্মকর্তা মনে করছেন, একেবারে তৃণমূল স্তরে যে সেনাকর্মীরা কাজ করছেন, তাদের কাছে সবটা পৌঁছে দেয়া দরকার। তিনি বলেছেন, ‘একজন উচ্চপদস্থ সেনা অফিসার হয়ত আফগানিস্তানের ইতিহাস ও তালে’বানের কৌশল নিয়ে অনেক কিছু জানেন।

কিন্তু দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন যে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের কাছেও এই তথ্য থাকা জরুরি। না হলে তারা ল’ড়াই করবেন কী করে।’ এই তালিকায় শুধু সেনা নয়, এলাকাভিত্তিক রাজ্যপুলিশ থেকে শুরু করে আধাসেনা বা অন্য বিশেষ বাহিনীও পড়ছে বলে আনন্দবাজার জানিয়েছে।

Sharing is caring!