দুই বিশ্বকাপের পার্থক্য বেশ ভালোই বুঝতে পারছেন শরিফুল

বাংলাদেশের যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন পেসার শরিফুল ইসলাম। নিখুঁত লাইন-লেন্থের সঙ্গে ইয়র্কার, বাউন্সারেও সমান পারদর্শী এই বোলার নজর কাড়েন তার আগ্রাসী বোলিংয়ে। জাতীয় দল থেকে ডাক পেতেও তাই বেশি সময় লাগেনি এই বাঁ-হাতির।

এ বছর নিউজিল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে বাংলাদেশ দলের হয়ে অভিষেক হয়ে যায় শরিফুলের।নিজেকে প্রমাণ করে শরিফুল বাংলাদেশের হয়ে খেলে ফেলেছেন ওয়ানডে এবং টেস্টও। আর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরষ্কারস্বরূপ তো এবার টাইগারদের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলেও আছেন তিনি।

যুব দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ, দুটি মঞ্চের পার্থক্য বোঝেন শরিফুল। তার মতে, জাতীয় দলের ক্রিকেটে চ্যালেঞ্জ বেশি। আর সেই চ্যালেঞ্জ জয় করতে মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছেন তিনি।

নিজের চেষ্টা তো থাকবেই, তবে বিশ্বকাপে ভালো কিছু করতে সবার কাছে দোয়াও চেয়েছেন শরিফুল, এর আগে বিশ্বকাপ জিতেছি। তবে সেটা তো অনূর্ধ্ব-১৯ ছিল। একটু সহজ ছিল। এখানে (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে) বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যানরা খেলে।

চ্যালেঞ্জিং হবে, কঠিন হবে। এদিক-সেদিক বল করলে বাউন্ডারি হয়ে যাবে। চেষ্টা থাকবে গুছিয়ে বল করার। সবাই দোয়া করবেন, দেশ যাতে ভালো কিছু করতে পারে, আমি জন্য দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারি। বয়স মাত্র ২০। এরই মধ্যে নিজের জাত চিনিয়ে দিয়েছেন শরিফুল।

তাই তো মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে জাতীয় দলের হয়ে তিনি খেলেছেন ১টি টেস্ট, ৪টি ওয়ানডে ও ১১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। যুবাদের হয়ে বিশ্বজয় করা শরিফুল জানেন, অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটের সাথে জাতীয় দলের অনেক পার্থক্য। তবে যুব দলের হয়ে যেই উদ্যম, যেই তেজ তিনি মাঠে দেখিয়েছিলেন তা ভুলতে চান না।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.