পঞ্জশিরে সংঘ’র্ষ, ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে ১২৫ কিলোমিটার উত্তরে পঞ্জশির উপত্যকায় এখনও তালেবান যো’দ্ধাদের সঙ্গে তালেবানবিরোধীদের সংঘ’র্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে দু’পক্ষের তীব্র ল’ড়া’ইয়ের মধ্যে চরম সংকটে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

ভয় আর আত’ঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন তারা। এরই মধ্যে শত শত পরিবার পালিয়েছেন সেখান থেকে। খবর আল জাজিরার। এদিকে, পঞ্জশির উপত্যকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে তালেবান। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) তালেবানের তিনটি সূত্র এ দাবি করে।

আফগানিস্তানের কেবল এ এলাকা তালেবানবিরোধী গোষ্ঠী ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের (এনআরএফ) যো’দ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এ প্রসঙ্গে তালেবানের এক কমান্ডার রয়টার্সকে জানান, ‘গোটা আফগানিস্তান এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে। এনআরএফের যো’দ্ধারা পরাজিত হয়েছে। পঞ্জশিরও এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে।’

পঞ্জশিরের পার্শ্ববর্তী পারওয়ান প্রদেশের বাসিন্দারা জানান, গত চার দিন ধরে দুই পক্ষের তীব্র লড়াইয়ের কারণে তাদের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, দু’পক্ষের লড়াইয়ে হ’তাহ’তের খবর পাওয়া যাচ্ছে, তবে এখনও তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, দূর থেকে দূরবর্তী পাহাড়ে ধোঁয়া উড়তে দেখছেন তারা।

এর মধ্যে অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। জানা গেছে, চারশ’র মতো পরিবার গ্রাম ছেড়েছেন স’হিংস’তার কারণে। আশির দশকে সোভিয়েতবিরোধী প্রতিরোধে আফগানিস্তানের অন্যতম নেতা ছিলেন আহমেদ শাহ মাসুদ। তারই ছেলে আহমেদ মাসুদ, যিনি তালেবানবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তালেবানবিরোধী আন্দোলনে সাবেক সরকারের কিছু সেনা সদস্যসহ স্থানীয়দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পঞ্জশিরে বিক্ষো’ভ করে সম্প্রতি। এরপর পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সেখানে অবস্থান নেয় কয়েকশ তালেবান যো’দ্ধা। শুরু হয় দু’পক্ষের লড়াই।

Sharing is caring!