পাঞ্জশির নিয়ে যা বললেন মার্কিন যু’দ্ধ বিশ্লেষক

রাজধানী কাবুল থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরের প্রদেশ পাঞ্জশিরে তালেবান এবং বিদ্রোহীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘ’র্ষ চলছে। তালেবান দাবি করছে, তাদের যো’দ্ধারা ৭টি জেলার মধ্যে ৫টি দখল করে নিয়েছেন। অন্যদিকে বিদ্রোহীরা দাবি করছে, কয়েকশ তালেবান সদস্যকে তারা হ’ত্যা করেছেন এবং তাদের হাতে বন্দী রয়েছে অন্তত দেড় হাজার তালেবান।

যদিও কোনোপক্ষ নিজেদের দাবির স্বপক্ষে প্রমাণ হাজির করতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক লং ওয়ার জার্নালের (সাময়িকী) সম্পাদক বিল রোজিও বলেন, পাঞ্জশিরে তালেবান ও বিদ্রোহীদের সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। উভয়পক্ষ প্রতিপক্ষকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করার দাবি করছে, যদিও নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য কেউ দিতে পারছে না।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার এবং আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর পতনের পর তালেবান ব্যাপক পরিমাণে অ’স্ত্র পেয়েছে। গত ২০ বছর ধরে যু’দ্ধের মাধ্যমে তালেবান যোদ্ধারা ‘স্পাতকঠিন’ রূপ ধারণ করেছে এবং ভুল করার কোনো উদাহরণ তাদের নেই।

মার্কিন যু’দ্ধবিষয়ক জার্নালের সম্পাদক বিল রোজারিও এসব কথা বলার অর্থ- পাঞ্জশিরে যুদ্ধে অবশ্যই তালেবান এগিয়ে থাকবে। তবে পাঞ্জশিরের বাইরে অবস্থান করা জাতীয় প্রতিরক্ষা ফ্রন্টের (এনআরএফ) মুখপাত্র আলী মাইসাম নাজরি বলছেন, প্রতিরোধ যো’দ্ধারা (এনআরএফ) তালেবানের কাছে হার মানবে না।

যদিও আফগানিস্তানের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ যিনি আরেক বিদ্রোহী নেতা আহমদ মাসুদকে সঙ্গে নিয়ে পাঞ্জশিরে লড়ে যাচ্ছেন তিনি পরিস্থিতি ‘ভ’য়াব’হ’ বলে উল্লেখ করেছেন। এক বার্তায় তিনি বলেন, বড় ধরনের মানবিক বিপ’র্যয়ের দ্বারপ্রান্তে পাঞ্জশির। তালেবানের হামলায় হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

Sharing is caring!