প্রেম ও বিয়ের গল্প শোনালেন মিঠুন ও তার স্ত্রী

প্রেম ও বিয়ের গল্প শোনালেন মিঠুন ও তার স্ত্রী

এক পুত্র ও এক কন্যা নিয়ে মোহাম্মদ মিঠুন ও তার স্ত্রী নিগার সুলতানার সুখের সংসার। তাদের বিয়েটি ছিল প্রেমের বিয়ে। ঈদ আয়োজনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিঠুন ও স্ত্রী জানিয়েছিলেন তাদের প্রেম ও বিয়ের গল্পসহ আরও অনেক কিছু। নিজ শহর খুলনাতেই পরিচয় হয়েছিল মিঠুন ও নিগারের। অন্যান্য সম্পর্কের থেকে তাদের সম্পর্কের পার্থক্য হলো তারা কেউ কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দেননি। এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে পরিচয়ের পরে দুইজনে কথা বলতে বলতে ভালো লাগার পর্যায়ে গড়ায় এবং সেখান থেকেই বিয়ে।

নিগার জানান, ‘আমাদের পরিচয় হয়েছিল একজন বড় ভাইয়ের মাধ্যমে। উনি ওর ও বড় ভাই হন। উনার মাধ্যমেই খুলনাতে আমাদের পরিচয় হয়। তারপরে দেখা হতো। প্রোপোজ করা হয়নি, কথা বলতে বলতেই হয়ে গেছে। ও খুব বেশি সৎ, আলহামদুলিল্লাহ।’ মিঠুনও একই কথা বলেন, ‘প্রোপোজ করা তো সবকিছু না, বোঝাবুঝিটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সম্পর্কের মধ্যে স্বচ্ছতা অনেক বেশি। আমরা কথা বলতে বলতে আমরা একে অপরকে যত বেশি জানলাম। আমাদের দুইজনের ভেতরেই শুরু থেকে সততা ছিল।

সম্পর্কের শুরু থেকেই সততা বজায় রাখার চেষ্টা করেছি।’ যখন মিঠুন ও নিগারের সম্পর্কের শুরু হয়, তখন মিঠুন জাতীয় দলের খেলোয়াড় ছিলেন না। তবে তার শ্বশুর-শাশুড়ি সবসময়ই এই সম্পর্কের ব্যাপারে ইতিবাচক ছিলেন বলে মিঠুন জানান,‘আমি ওই সময় জাতীয় দলে খেলতাম না। আমার শ্বশুর সবসময়ই খুব ইতিবাচক ছিলেন। আর আমার শাশুড়ি শুরু থেকেই আমাদের ব্যাপারে জানতেন। যখন আমাদের সম্পর্ক শুরু হয়, তখনই ও ওর মাকে বলে দিয়েছিল। তারপরে একসময় আমিও আমার পরিবারকে জানাই।’

স্ত্রীর গুণাবলী নিয়ে মিঠুন বলেন, ‘প্রতিটা মানুষেরই তো চাওয়া থাকে যে তার গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী কেমন হবে। আমারও ছিল। তবে আমার কখনো ওকে বলতে হয়নি যে তোমার এই জিনিসটা পছন্দ করি না, বা এইটা পছন্দ করি। আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, আমি না বলতেই ও নিজে থেকেই আমার পছন্দের অনেক কাজ করত এবং আগে থেকেই ওর মধ্যে গুণগুলো ছিল। এইজন্য আমাদের বোঝাবুঝিটা এত ভালো ছিল এবং সেটা বিয়ের পর্যায়ে আসতে সাহায্য করেছে।’ মিঠুনও আরও জানান নিগার সবসময়ই তার প্রতি অনেক সংবেদনশীল।

ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে সবসময়ই তার স্ত্রী তাকে যথেষ্ট সমর্থন। তাদের সুখের সংসার আছে দুইজন সন্তান। তাদের নাম আরহাম ফারিক আরশ ও আলিশা মেহেরিশ। মিঠুন জানান তাদের জীবনের সবচেয়ে বিশেষ তিনটি দিন হলো তার বিয়ের দিন এবং দুই সন্তানের জন্মের দিন দুইটি।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.