‘বলেছিলাম খেলা হবে, ওই খেলা আজ হয়েছে’

‘নৌকা বাইচ খেলা আমি জীবনে প্রথম দেখলাম। খেলাটি দেখে আনন্দ লেগেছে, ভালো লেগেছে। এখন থেকে আমাদে গ্রামীণ নৌকাবাইচ, হাডুডু, কাবাডি, সাঁতার সবগুলো খেলা হবে। আমরা সব খেলায় জিতবো। আমি ছোট্ট একটি মানুষ একসময় বলেছিলাম- খেলা হবে, ওই খেলা আজকে হয়েছে’ বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান।

মঙ্গলবার বিকালে ডিক্রিরচর গুদারাঘাট এলাকায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। তিনি বলেন, ‘নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা দেখার জন্য নদীর দুই পাড়ে প্রচুর মানুষ ছিলো।

তার মধ্যে অনেকে যার যার ইউনিয়ন পর্যায় প্রতিযোগিদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য এসেছেন। বড় বড় ট্রলার ভাড়া করে তারা আনন্দ করছে। তার মধ্যে আমার একটি টিম ছিলো। তাদের বলেছি তোমরা পেছনে থাকো। আজকে যারা আনন্দ দিয়েছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’ নৌকা বাইচে আটটি ইউনিয়নের আট দল অংশ নেয়।

এতে প্রথম হয়েছে এনায়েত নগর, দ্বিতীয় কুতুবপুর ও তৃতীয় বক্তাবলী ইউনিয়ন। বিজয়ীদের তিন লাখ, দুই লাখ ও এক লাখ টাকার চেক এবং ট্রফি দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীম ওসমান আরও বলেন, এই নৌকা বাইচ খেলা আগে কখনও দেখিনি।

সত্য কথা বলতে যদি আমরা ন্যায়বিচার প্রকৃতভাবে করি, কে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হয়েছে বলা মুশকিল। এর মধ্যে কিছু কিছু লোক আছে যারা আমার মতো চতুর, তারা শেষ পর্যন্ত যায়নি। তারা অর্ধেক অবস্থা থেকে ফিরে চলে এসেছে। তারা একটু বুদ্ধিমান।’

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো রিফাত ফেরদৌসের সভপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান এম শওকত আলী, আলীটেক ইউনিয়নের চেয়াম্যান জাকির হোসেন, গোগনগর ইউনিয়নের চেয়াম্যান ফজর আলী, এনায়াতে নগর ইউনিয়নের চেয়াম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়াম্যান মুনিরুল আলম সেন্টু প্রমুখ।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.