বাংলাদেশের বোলারদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ গিবসন

মাউন্ট মঙ্গুনুইতে দিনের চতুর্থ ওভারেই উইকেটের দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর বাংলাদেশকে দেড় সেশন হতাশায় ডুবিয়েছেন উইল ইয়ং ও ডেভন কনওয়ে। হাফ সেঞ্চুরির পর ইয়ং রান আউট হয়েছেন ৫২ রান করে।

এরপর শেষ সেশনে কনওয়ের উইকেটসহ তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। ফলে ২৫৮ রানে ৫ উইকেট নিয়ে স্বস্তিতে দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। টাইগারদের পেস বোলিং কোচ দিন শেষে বোলারদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।

শুরু থেকেই পেসাররা যেভাবে বল করেছেন অন্যদিন আরও ২-৩ উইকেট বেশি পড়তে পারে বলে মনে করেন তিনি। গিবসন বলেন, ‘প্রথম ঘন্টায় আমরা দারুণ বোলিং করেছি। অনেকবার বল ব্যাটের পাশ দিয়ে গিয়েছে। দেখা যাবে এমন বোলিংয়ে হয়তো অন্যদিন আরও ২-৩টা উইকেট বেশি পড়েছে। কনওয়ে ভালো খেলেছে। দিন শেষে খেলাটা সাম্যাবস্থায় আছে।’

উপমহাদেশের উইকেটে সাধারণত ঘাস দেখা যায় না। এর ফলে দেশের পেসারদেরও পারফরম্যান্সের খুব বেশি সুযোগ হয়না। মাউন্ট মঙ্গুনুইতে পেস বান্ধব উইকেট পেয়ে শুরু থেকেই সুইং বোলিংয়ের সফলতা দেখিয়েছেন তাসকিন আহমেদ-শরিফুল ইসলামরা।

একপ্রান্তে মেহেদী হাসান মিরাজও রান আটকে রেখেছেন। এর ফলে প্রথম দিন শেষে রান বন্যায় ভেসে যেতে হয়নি বাংলাদেশকে। আবহাওয়া গরম থাকায় উইকেটের ভেজা ভাবটাও কেটে গেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। এটাই বাংলাদেশের পেসারদের সুবিধা দিয়েছে বলে মনে করেন গিবসন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের উইকেটে ঘাস দেখি না। এটা একটা বিষয়। আমরা ভেবেছিলাম শুরুতে মুভমেন্ট পাব এই উইকেট। সেটা পেয়েছিও। আজ গরমও ছিল। যে কারণে উইকেটের ভেজা ভাবটা বেশিক্ষন ছিল না। এখন অনেকটা ফ্ল্যাট উইকেট বলা যায়। তবে ছেলেরা যেভাবে বল করেছে তাতে আমি গর্বিত। ওরা সারাদিন ভালো বল করেছে। মিরাজ একটা প্রান্ত থেকে রান কম দিয়ে বল করে গেছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.