বাংলাদেশে সৌরভ গাঙ্গুলিকে বাসে উঠতে দেননি শাস্ত্রি!

ভারতীয় তারকা ক্রিকেটের মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ্বের খবর গণমাধ্যমে হঠাৎ হঠাৎ শোনা যায়। এখন যেমন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিকে নিয়ে মাঝেমধ্যে খবর প্রকাশিত হয়, তেমনি একটা সময় রবি শাস্ত্রি ও সৌরভ গাঙ্গুলির সম্পর্কের শীতলতা সম্পর্কে কথা শোনা যেতো।

এখনকার প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী তখন জাতীয় দলের ম্যানেজার আর কলকাতার রাজপুত্র তখন একজন সাধারণ ক্রিকেটার। তখনকার দিনে বলা হতো, এই দুই তারকার মধ্যকার সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। কিন্তু সময়ের আবর্তনে সেসব ব্যাপার একরকম ধুলোয় চাপা পড়ে গিয়েছিল।

আর সেগুলো নিয়ে আর কখনো আলোচনাও হতো না যদি কিনা সম্প্রতি রবি শাস্ত্রি নিজেই তা নিয়ে মুখ না খুলতেন। ‘টাইমস নাউ’ নামের এক পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে কয়েকদিন আগে তিনি ২০০৭ সালের এক ঘটনায় স্মৃতিচারণা করেন।

সেবার নাকি বাংলাদেশ সফর চলাকালে টিম হোটেল থেকে নামতে একটু দেরি করায় ক্রিকেটার গাঙ্গুলিকে বাসে উঠতে দেননি ম্যানেজার শাস্ত্রি, যা নিয়ে তখন বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়। শাস্ত্রির ভাষায়, ‘দলের শৃঙ্খলা আগে। যেকেউই অনেক কিছু হতে পারে, কিন্তু দেরি করে এলে টিম বাসে তাকে না তোলার সিদ্ধান্ত ছিল।

সেদিন ঘটনাটির শিকার হন সৌরভ। ব্যস, এটুকুই। গণমাধ্যম এসব খবর বড় করে ছাপতে পছন্দ করে। এটাকে ভেলপুরি আর চাট মনে করে, তাতে মসলা-টসলা দিয়ে আরো উপাদেয় করে তোলে। আমি নিজেও এ ধরনের খবর উপভোগ করি।’ অবশ্য কালের পরিক্রমায় সেই সৌরভই আজ শাস্ত্রির ‘বস’।

এখনো কি পুরোনো সেসব শত্রুতা মাথাচাড়া দেয় কিনা জানতে চাইলে শাস্ত্রি সেই সাংবাদিককে বলেন, ‘কখনোই না! কোনো আচরণেই সেটি প্রকাশ পায়নি। এই তো ইংল্যান্ডেই সৌরভের সঙ্গে আমার অনেক কথা হয়েছে। আমিও তার অনেক খেলা দেখেছি।

আমরা তো এক দলেই খেলেছি একসময়। আমি টাটা স্টিলের হয়ে খেলতাম, সৌরভও সেখানে আমার অধিনায়কত্বে খেলেছে। অনেক বছর ধরেই তো আমরা একে অপরকে চিনি।’ তাহলে কি সৌরভ-শাস্ত্রীর শত্রুতার খবর স্রেফ বাড়তি আকর্ষণের জন্যে ছড়ানো গুজব ছিল?

Sharing is caring!