বাসায় পুলিশ পাঠিয়ে থ্রেট করা হচ্ছে: তৈমূর

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। সরকারি দলের লোকজনের বাড়িতেও পুলিশ পাঠিয়ে মারধর করা হচ্ছে। ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামালের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে তার কেয়ারটেকারকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গতকাল রাতে লোকজনের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে থ্রেট করা হয়েছে তারা যেন আমার পক্ষে কাজ না করে নৌকার পক্ষে কাজ করে। আমার সমর্থকদের হয়রানি করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রতি নিবেদন আপনারা সচেতন থাকবেন। কোন গুজবে কান দিবেন না। অনেক নির্যাতন হবে। সে নির্যাতন প্রতিরোধ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বন্দরের মদনপুরে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি। তৈমূর বলেন, এই নির্বাচনটা হচ্ছে আঠারো বছরে পৌরসভার ব্যর্থতা এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পায়নি পক্ষান্তরে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির জন্য দেড় লাখ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে হলেও ট্যাক্স দিতে হয় যেটা অন্য কোন সিটি করপোরেশনে নেই। সিটি করপোরেশন কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান না। এটা একটা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। সিটি করপোরেশন জনগণকে সেবা দিবে। কিন্তু সেই সেবার বদলে তাদের ট্যাক্স বেশি গুনতে হচ্ছে। উন্নয়ন প্রজেক্টের কথা বলা হয়।

আমরা চাই পরিকল্পিত উন্নয়ন। সেই উন্নয়নের প্রশ্নে আপনি দেখবেন সিটি করপোরেশন কনট্রাক্টরদের সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। এই নির্বাচনেও প্রতি ওয়ার্ডে কনট্রাক্টররা নির্বাচন পরিচালনা করছে। সেখানে সিটির কর্মচারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে। তৈমূর খন্দকার বলেন, আমি কারও কথায় কষ্ট পাই না। আমার দল ঐক্যবদ্ধ।

তার মন্তব্যের কারণে তার দলে যে বিশাল ফাটল এটা জনগণের কাছে পরিষ্কার। শহরে এখন আলোচনা তারাই তো তাদের লোকদের সমর্থন পাচ্ছে না। আর তৈমূর আলম খন্দকার সকলকে নিয়ে মাঠে নেমেছে। আমার জয় হবে এটাই জনগণ বলছে। কারও নামের সঙ্গে কোন বিশেষণ দেয়াটা সভ্যতা নয়। এখন এ বিশেষণ আইভীর মুখেই শোনা যাচ্ছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.