‘বিতর্কিত’ আউটে ফিরলেন সাকিব

‘বিতর্কিত’ আউটে ফিরলেন সাকিব

গেল ম্যাচে অপরাজিত ৯৬ রানের ইনিংস খেলার পর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও ভালো শুরু করেছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে বিতর্কিত এক আউটে ফিরতে হলো তাঁকে। লুক জংওয়ের আউট সাইড অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ আউট হয়েছেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। যদিও সাকিবের দাবি ব্যাটে বলে স্পর্শ হয়নি। যে কারণে আম্পায়ার আউট দেয়ার পর খানিকটা হতাশা প্রকাশ করেছেন। সমান সংখ্যক একটি করে চার ও ছক্কায় ৪২ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাকিব।

লিটন দাস আউট হওয়ার পর উইকেটে এসে দ্রুতই সেট হয়ে গিয়েছিলেন গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সাকিব আল হাসান। তামিমের সঙ্গে তার জুটিতে এসে যায় ৫৯ রান। তাদের সাবলীল ব্যাটিংয়ে যখন রানের চাকা ঘুরছিল, তখনই বিপত্তি। লুক জঙ্গুইয়ের বলে খোঁচা মারেন সাকিব। জিম্বাবুয়ে কট বিহাইন্ডের আবেদন করলে আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন।

সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের দেওয়া বড় টার্গেট তাড়ায় বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস।তাদের সাবলীল ব্যাটিংয়ে ৪৮ বলেই পঞ্চাশ ছুঁয়ে ফেলে টাইগারদের ইনিংস। ৫৯ বলে পঞ্চাশ পূরণ করেন তামিম ইকবাল। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল ওপেনিং জুটি তিন অংক ছুঁয়ে ফেলবে।

তবে দলীয় ৮৮ রানে মাধভেরের বলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন লিটন দাস (৩২)। উইকেটে আসেন সাকিব। লিটনের আউটেও রানের গতি কমেনি। দ্রুতই সাকিব-তামিমের জুটি পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যায়। এর আগে হারারে স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৯.৩ ওভারে ২৯৮ রানে অল-আউট হয় জিম্বাবুয়ে।

৩৬ রানে তারা প্রথম উইকেট হারায়। মারুমিকে (৮) বোল্ড করে দেন সাকিব আল হাসান। অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর আজও বড় রান করতে পারেননি। ২৮ রান করে মাহমুদউল্লাহর বলে তামিম ইকবালের তালুবন্দি হন। ডিওন মেয়ার্সকেও (৩৪) প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান মাহমুদউল্লাহ। আরেক ওপেনার চাকাভা একপ্রান্ত আগলে ছিলেন।

ছোট ছোট জুটিতে এগিয়ে যেতে থাকে জিম্বাবুয়ে। তৃতীয় উইকেটে ৭১ রানের জুটি গড়ে বিপদ সামাল দেন চাকাভা এবং মেয়ার্স। মেয়ার্স আউট হওয়ার পর ছোট্ট একটা ধস। ৯১ বলে ৮৪ রান করা চাকাভাকে বোল্ড করে থামান তাসকিন। এরপর ৬ষ্ঠ উইকেটে ১১২ রানের দুর্দান্ত জুটি উপহার দেন সিকান্দার রাজা এবং রায়ান বার্ল।

রাজা ৫৪ বলে ৫৭ আর বার্ল ৪৩ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় ৫৯ রানে আউট হন। শেষ তিন ওভারে দ্রুত উইকেট হারতে থাকে জিম্বাবুয়ে। বেদম মার খেয়ে ৮ ওভারে ৮৭ রান দেওয়া সাইফউদ্দিন শেষের দিকে নেন ৩ উইকেট। চোট কাটিয়ে ফেরা মুস্তাফিজ ৯.৩ ওভারে ৫৭ রানে নেন ৩ উইকেট। মাহমুদউল্লাহ নেন ২টি। ৪৯.৩ ওভারে ২৯৮ রানে অল-আউট হয় জিম্বাবুয়ে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.