বিধ্বংসী ওপেনিং জুটির পর হঠাৎ ধস ব্যাঙ্গালুরুর

এমন বিধ্বংসী সূচনা! একটা সময় মনে হচ্ছিল অনায়াসেই ২০০ পার করে ফেলবে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। কিন্তু সেটা আর হলো না। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো চেন্নাই সুপার কিংস। ১৩ ওভার পেরোতেই বিনা উইকেটে ১১১ রান তুলে ফেলা ব্যাঙ্গালুরু শেষ পর্যন্ত থেমেছে ৬ উইকেটে ১৫৬ রানে। শারজায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বিধ্বংসী সূচনা করে ব্যাঙ্গালুরু।

বিরাট কোহলি আর দেবদূত পাডিক্কেল ১১.১ ওভারেই দলকে পৌঁছে দেন শতরানে। সেই জুটি ভাঙতে চেন্নাই বোলারদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৪তম ওভার পর্যন্ত। ডোয়াইন ব্রাভোকে ফ্লিক করে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ হন কোহলি। ৪১ বলে ৬ চার আর ১ ছক্কায় ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক করেন ৫৩ রান। ওই আউটেই বদলে গেছে দৃশ্যপট। কোহলি ফেরার পরই যেন খেই হারিয়ে ফেলে ব্যাঙ্গালুরু।

পাডিক্কেল নিজের মতো করে খেলে যাচ্ছিলেন বটে! তবে শার্দুল ঠাকুরের করা ইনিংসের ১৮তম ওভারে জোড়া উইকেট হারায় ব্যাঙ্গালুরু। ১১ বলে ১২ করে ডি ভিলিয়ার্স ফেরেন কভারে সুরেশ রায়নাকে ক্যাচ দিয়ে। পরের বলে মিসটাইমিংয়ে বৃত্তের মধ্যে আম্বাতি রাইডুর ক্যাচ হন পাডিক্কেল। ৫০ বলে ৭০ রানের ইনিংসটি বাঁহাতি এই ওপেনার সাজিয়েছিলেন ৫ বাউন্ডারি আর ৩টি ছক্কায়। এরপর টিম ডেভিড উইকেটে দাঁড়াতে পারেননি।

১ রান করে হন দীপক চাহারের শিকার। ৯ বলে ১১ রানে থামেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও। শেষদিকে চেন্নাই বোলারদের এই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রত্যাশিত পুঁজি আর পাওয়া হয়নি ব্যাঙ্গালুরুর। শেষ ৫ ওভার অর্থাৎ ৩০ বলে বিরাট কোহলির দল তুলতে পেরেছে মাত্র ৩৮ রান, উইকেট হারিয়েছে ৫টি। চেন্নাই বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ডোয়াইন ব্রাভো। ২৪ রানে তিনি নিয়েছেন ৩টি উইকেট। শার্দুল ঠাকুর ২৯ রান খরচায় শিকার করেন ২ উইকেট।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.