বিসিবি সভাপতি, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ চান ৪০ ব্যক্তি

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে মিরপুরে পাকিস্তানের পতাকা ওড়ানো এবং মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে ১৬ই ডিসেম্বর ভারত-পাকিস্তান হকি’র ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু নির্ধারণ করার প্রতিবাদস্বরূপ এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা জানান তারা। ডিবিসি টিভি

শনিবার (২১ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে ৪০ ব্যক্তি- বাংলাদেশের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, হকি ফেডারেশন ও বিসিবিকে নিন্দা ও ঘৃণা জ্ঞাপন করেন। একইসঙ্গে তারা তাদের পদত্যাগ দাবি করেন। দেশ রূপান্তর

সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতি অনুযায়ী, পাকিস্তান উদ্দেশ্যমূলকভাবে ও পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমকে অপমান করেছে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড তো বটেই; তাদের দেশের সরকারের তরফ থেকেও ক্ষমা ও ভুল স্বীকার করতে হবে বলে বিবৃতিদাতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তারা বলেন, ‘৭১-এ সরাসরি যুদ্ধে পরাজিত শক্তি পাকিস্তান যে আজও আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি বা স্বীকার করেনি- তা তারা নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে এবং অতীতেও করেছে। এমন নজীর আমরা পূর্বেও লক্ষ্য করেছি। ৮০’র দশকেও দেখেছি এই বাংলায় ইমরান খানের ধৃষ্টতা!

বিসিবি এ বিষয়ে চুপ করে থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করে তারা বলেন, ‘আমরা মনে করি, ক্রীড়ামন্ত্রী তার দায় এড়াতে পারে না, সরকারও তার দায় এড়াতে পারে না। এতো কিছুর পরে আমরা মনে করি না যে স্বাধীন বাংলাদেশে এই দায়িত্ব পালনের অধিকার আর তাদের আছে। আমরা ক্রীড়ামন্ত্রী, হকি ফেডারেশন ও বিসিবিকে তীব্র নিন্দা এবং ঘৃণা জ্ঞাপন করছি এবং তাদের পদত্যাগ দাবি করছি।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন- ১. আবদুল গাফফার চৌধুরী ২. ব্যারিস্টার এম আমির-উল ইসলাম ৩. ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ৪. বিচারপতি গোলাম রাব্বানী ৫. বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ৬. বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ৭. সংসদ সদস্য এরমা দত্ত ৮. সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা ৯. অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান, সাবেক ভিসি ১০. সেলিনা হোসেন

১১. অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুজ্জামান চান ১২. জেনারেল হারুনুর রশিদ ১৩. আবেদ খান ১৪. রামেন্দু মজুমদার ১৫. জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার ১৬. জেনারেল আব্দুর রশিদ ১৭. সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, প্রধান সম্পাদক,জিটিভি ১৮. গোলাম কুদ্দুস ১৯. পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় ২০.

নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ২১. শাহরিয়ার কবির ২২. অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ২৩. রাষ্ট্রদূত ওয়ালিউর রহমান ২৪. অধ্যাপক শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী ২৫. অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক ২৬. অধ্যাপক মাহফুজা খানম ২৭. ড. আতিউর রহমান, ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ২৮. অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া ২৯. এ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না ৩০. মফিদুল হক

৩১. অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল ৩২. ডা. সারওয়ার আলী ৩৩. কাজী মুকুল ৩৪. আসিফ মুনীর ৩৫. কবীর চৌধুরী তন্ময় ৩৬. ক্যাপ্টেন শাহাব (বীর উত্তম) ৩৭. অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী শম্পা ৩৮. কামাল পাশা চৌধুরী ৩৯. শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ এবং ৪০. রাসেদ চৌধুরী।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.