বোলারের নাম নয়, বল দেখে খেলার কারণেই সফল জয়

মাউন্ট মঙ্গানুইতে স্বপ্নের মতো দুই দিন পার করেছে বাংলাদেশ। চার ব্যাটসম্যানের হাফ সেঞ্চুরিতে স্কোরবোর্ডে ৪০০’র ওপর রান তোলার সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লিডও নিয়েছে সফরকারীরা। তৃতীয় দিন শেষে টম ল্যাথামদের বিপক্ষে ৭৩ রানের লিড নিয়েছে মুমিনুল হকের দল।

বাংলাদেশের এই দাপুটে পারফরম্যান্সের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। পরবর্তীতে বাকি ব্যাটাররাও একই পথে হেঁটেছেন। যার সুবাদে তৃতীয় দিন শেষে স্কোরবোর্ডে ৬ উইকেটে ৪০১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিন ২১১ বলে ৭০ রান নিয়ে দিন শেষ করা জয় অবশ্য তৃতীয় দিন ইনিংস বেশি লম্বা করতে পারেননি। তৃতীয় দিন মাত্র ৮ রান যোগ করেই নেইল ওয়্যাগনারের তৃতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। তবে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে এমন ইনিংস পেছনের মন্ত্রের কথা জানিয়েছেন এই তরুণ ব্যাটসম্যান।

২০ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান বোলারের নাম দেখে নয়, বল দেখে ব্যাটিং করেছেন। তার পরিকল্পনা ছিল রানের পিছনে না ছুটে বেশি বেশি বল খেলার। এই মন্ত্র কাজে লাগিয়েই সফল নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে সফল হয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে উইকেটে থাকাকালীন ব্যাটিং পার্টনারদের থেকেও সহায়তা পেয়েছেন তিনি।

জয় বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড দলের পেস বোলিং আক্রমণ বিশ্বসেরা। ওরা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাজয়ী দল। আমি এক্ষেত্রে আমার স্বাভাবিক খেলাটাই খেলার চেষ্টা করেছি। ওদের বোলারদের নাম না দেখে, বল দেখে খেলার চেষ্টা করেছি।’

‘আমার পরিকল্পনা ছিল রানের দিকে না গিয়ে বেশি বেশি বল খেলার। আমি বেশি বল খেলতে পারলে রান এমনিতেই আসবে। আমার সঙ্গী যারা ছিল, সাদমান ভাই, শান্ত ভাই, মুমিনুল ভাই – সবাই একই কথা বলেছে। এটাই ছিল উইকেটে শান্ত থাকার কারণ।’

প্রথম টেস্ট মাঠে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচেও হেসেছিল জয়ের ব্যাট। সেখান ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের এই সদস্য। দুই দিনের সেই ম্যাচই মূল টেস্টে জয়কে আত্মবিশ্বাস দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

জয়ের ভাষ্যমতে, ‘পরিকল্পনা তেমন কিছু ছিল না। মূল ম্যাচের আগে যে প্রস্তুতি ম্যাচটা খেলেছি, সেটা অনেক কাজে দিয়েছে। সেখানে আমি খেলার সুযোগ পাই এবং মোটামুটি ভালোই করি। সেখান থেকেই আমি আত্মবিশ্বাস পাই যেটা মূল ম্যাচে মোটামুটি পারফর্ম করতে সাহায্য করেছে।’

সতীর্থদের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থন প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার কাছ থেকে দারুণ সমর্থন পেয়েছি। আমি যে নতুন দলে এসেছি সেই চাপটা আমি অনুভব করিনি। টিম ম্যানেজমেন্টের সবাই আমাকে সাহায্য করেছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.