ব্যর্থ শান্ত-নাঈম-আফিফ, ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জয় এনে দিলেন মুশফিক

পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবকে ৭ উইকেটে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়র ডিভিশন ক্রিকেট লিগ ২০১৯-২০ এ শুভ সূচনা করল আবাহনী লিমিটেড। বৃষ্টি আইনে ১০ ওভারে ৭০ রানের আবাহনী ৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায়। বৃষ্টির কারণে মিরপুরে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে।

পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১২০ রানের জবাবে আবাহনী লিমিটেডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০ ওভারে ৭০ রান। শুরুতেই হোঁচট খায় আবাহনী। ইমরান আলি ইনামের বলে নাজমুল হোসেন শান্ত উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৫ বলে ২ রান করে।

দ্বিতীয় উইকেটে জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম ও নাঈম শেখ। ১৭ বলে ১৯ রান করে নিহাদুজ্জামানের শিকার হন নাঈম। শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য আবাহনীর প্রয়োজন ছিল ২৪ রান। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়ে যান আফিফ হোসেন ধ্রুব।

তার আগে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পারটেক্স। মেহেদী হাসান রানার শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার সায়েম আলম রিজভী। আবাহনীর পক্ষে দ্বিতীয় উইকেটটিও শিকার করেন রানা। এই বাঁহাতি পেসারের পরে বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলের ঘূর্ণি বিষের সামনে পড়ে পারটেক্স।

শফিউল হায়াত হৃদয় ও ধীমান ঘোষকে শিকার করেন তাইজুল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা পারটেক্সের রানের গতিও হতে থাকে নিম্নমুখী। এরই মধ্যে আবার মাঠে হানা দেয় বৃষ্টিও। বৃষ্টির আগে ১৩.৪ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ৭২ রান সংগ্রহ করে পারটেক্স।

তাইজুল ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচ করে শিকার করেন ২টি উইকেট। পারটেক্সের পক্ষে ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছেন কেবল তাসামুল হক। তবে টি-টোয়েন্টির উপযুক্ত ব্যাটিং তিনি করতে পারেননি। ৫৭ বলে ৬৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তাসামুল। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার।

এছাড়া মঈন খানের ব্যাট থেকে আসে ২৫ বলে ২২ রান। নাজমুল হোসেন মিলন করেন ১০ বলে ৭ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫টি উইকেট হারিয়ে ১২০ রান সংগ্রহ করেছে পারটেক্স। আবাহনীর পক্ষে রানা ৩ ওভারে ৩২ রান খরচায় ২টি উইকেট নিয়েছেন রানা। সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ২১ রান খরচ করলেও উইকেটের দেখা পাননি। শহিদুল ইসলাম ৪ ওভারে খরচ করেন ২৪ রান।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.