মুসলিম দেশে ড্রোন হা’ম’লা চালাল তুরস্ক

ইরাকের সিনজার অঞ্চলে তুরস্কের ড্রো’ন হা’ম’লায় অন্তত তিন ব্যক্তি নি’হ’ত হয়েছেন। নিরাপত্তা ও হাসপাতাল সূত্রের বরাতে ব্রিটেনভিত্তিক মিডল ইস্ট আই এমন খবর দিয়েছে।দেশটির উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলকে প্রায়ই হা’ম’লা’র লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে আসছে আংকারা। তুরস্ক বলছে, তারা কু’র্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে হা’ম’লার নিশানা বানাচ্ছে।

১৯৮৪ সাল থেকে তুরস্কের বিরুদ্ধে সশ’স্ত্র সং’ঘা’তে লি’প্ত হয়েছে এই সশ’স্ত্র গো’ষ্ঠীটি। মঙ্গলবারের (১৭ আগস্ট) অভিযানে সিনজার প্রদেশের সেকাইনা গ্রামের একটি অস্থায়ী ক্লিনিকে ড্রো’ন হা’ম’লা করা হয়েছে। জেলার উপ-মেয়র জালাল খালেফ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমন তথ্য দিয়েছেন।

সিনজারের এক চিকিৎসক বলেন, হা’ম’লায় অন্তত তিনজন নি’হ’ত ও আরও পাঁচ ব্যক্তি আ’হ’ত হয়েছেন। তিনটি হা’ম’লার মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তুরস্কের সামরিক বাহিনী এই হা’ম’লা চালিয়েছে বলে ইরাকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। এভাবে বারবার তুরস্কের বিমান হা’ম’লা নিয়ে বাগদাদে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

কিন্তু তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান হুশিয়ারি করে দিয়ে বলেছেন, যদি ইরাক পিকেকের উপস্থিতির মোকাবিলা করতে না পারে, তবে তুরস্ক তার এসপর-ওসপার করে ছাড়বে। এর আগে সোমবার এক বিমান হা’ম’লায় দুই সহকর্মীসহ ইরাকি বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ ইয়াজিদি কর্মকর্তাকে হ-ত্যা করা হয়েছে। সিন’জারের পিকেকে’র সঙ্গে তার যোগসা’জশ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে এক পিকেকে কর্মকর্তাও আ’হ’ত হয়ে’ছিলেন। তিনি ইয়াজিদি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সদস্য। তাকে চিকিৎসার জন্য সেকাইনা স্থাপনায় স্থানান্তর করা হয়েছিল। সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ছবিতে একটি বাড়ির নিম্নাংশ ও ধ্বং’স্তূ’পে পরিণত হওয়া ক্লি’নিক দেখা গেছে। সেখান থেকে কু’ণ্ডল পাঁকা’নো ধোঁ’য়া উড়তে দেখা গেছে।

ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিশ অঞ্চলে গত ২৫ বছরে এক ডজনেরও বেশি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে তুরস্ক। এরপর পিকেকে যো’দ্ধা’দের বিরুদ্ধে আন্তঃসীমান্ত হা’ম’লা অব্যা’হত রেখেছে। তবে এতে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘ’নের অ’ভিযোগ তুলে নিয়মিত প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে ইরাক। আ’ন্তঃসীমান্ত সাম’রিক হা’ম’লার নিন্দা জানিয়ে বেশ কয়েকবার তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.