মেসিকে নেওয়া মানেই চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা নয়ঃ রোনালদো

সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় আর্জেন্টাইন জাদুকর- মেসি এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বিশ্বকাপ শিরোপা বাদে ক্যারিয়ারে সব কিছুই বগলদাবা করেছেন তিনি। একটি মাত্র বিশ্বকাপ ট্রফি জিতলেই পেয়ে যাবেন অমরত্বের স্বাদ।

নতুন খবর হচ্ছে, ‘পিএসজি মেসিকে নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে না পারলে কখনোই জিতবে না’— কথাটি বলেছিলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সাবেক মিডফিল্ডার হুয়ান রোমান রিকেলমে। তাঁর কথার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ব্রাজিলের সাবেক স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিও বলছেন ভিন্ন কথা।

রোনালদোর মতে, মেসিকে দলে ভেড়ানো মানেই পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা নিশ্চিত নয়। দলটিকে পাড়ি দিতে হবে অনেক পথ। ব্রাজিলের জার্সিতে দুটি বিশ্বকাপজয়ী রোনালদো বর্তমানে স্প্যানিশ লা লিগার দল রিয়াল ভায়াদোলিদের সিংহভাগ শেয়ারের মালিক ও সভাপতি।

অতীতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদে খেলে নাম লিখিয়েছেন বিরল খেলোয়াড়দের তালিকায়। তারকাখচিত রিয়াল মাদ্রিদের হয়েই খেলেছেন পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ। কিন্তু রিয়ালের ‘গ্যালাকটিকোস’ যুগের অংশ হয়েও জেতা হয়নি একটি চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাও।

চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তাঁর চেয়ে ভালো আর কজনই বা জানেন! চ্যাম্পিয়নস লিগ প্রসঙ্গে ইংল্যান্ডের ভিডিও স্ট্রিমিং সার্ভিস ‘ডিএজেডএন’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেছেন, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগ কে জিতবে, এখনই সেটা বলা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায়।

কোয়ার্টার ফাইনালে মোটামুটি একটা চিত্র পাওয়া যায়। প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) এগিয়ে বাকিদের তুলনায়। কিন্তু মুখের কথা আর মাঠে খেলা এক নয়।’ রোনালদো, জিনেদিন জিদান, লুই ফিগো, ডেভিড বেকহাম, রবার্তো কার্লোসদের মতো বিশ্বসেরা তারকাদের নিয়ে ২০০০ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে দুর্দান্ত দল গড়েছিল রিয়াল।

যে দলটিকে বলা হতো ‘গ্যালাকটিকোস’। সেই দলের উদাহরণ টেনে রোনালদো বলেন, ‘মাঠে অনেক কিছু প্রভাব ফেলে। আমি রিয়াল মাদ্রিদ গ্যালাকটিকোস দলের হয়ে হয়ে ৫ মৌসুম খেলেছি। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারিনি।’ সেই রিয়ালের সঙ্গে বর্তমান পিএসজির অনেক মিল পাওয়া যায়।

মেসির সঙ্গে আছেন নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পে, দি মারিয়া, সের্হিও রামোসের মতো তারকা। তবে সেরা দল গঠন করা মানেই শিরোপা নিশ্চিত নয় বলে মনে করেন রোনালদো, ‘আপনার দলে সেরা খেলোয়াড় থাকা মানেই জয় সব সময় আসবে না। সেটি পিএসজির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’

Sharing is caring!