ম্যাচ বাতিল হওয়া ক্ষুব্ধ হয়ে যা বললেন মেসি

সদ্য সমাপ্ত কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচের সুপার ক্ল্যাসিকো শেষে আবারও বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মুখোমুখি হয়েছিলো ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের এই লড়াই দেখার জন্য যখন গোটা বিশ্ব মুখিয়ে তখন কিনা ম্যাচ শুরু হবার ৬ মিনিটের মাথায় ম্যাচ বন্ধ! জটিলতার শুরু হয় মূলত আর্জেন্টিনার চার ফুটবলারকে নিয়ে।

ভিন্ন দেশ থেকে ব্রাজিলে প্রবেশের পর অন্তত ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হপবে এমনটা নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো ব্রাজিলের স্বাস্থ্যবিভাগ থেকে। ব্রাজিলিয়ান হেলথ রেগুলেটরি এজেন্সির নির্দেশনা অনুযায়ী-স্বদেশি ছাড়া যুক্তরাজ্য, উত্তর আয়ারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত থেকে ব্রাজিলে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

যাদের স্বাস্থ্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, তাদেরও ১৪ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। কোভিড পরিস্থিতিতে দেয়া এই নির্দেশনা ভঙ্গ করেছিলেন আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জিওভানি লো চেলসো ও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো।

নিয়ম অমান্য করে মাঠে নামার পর এই ফুটবলারদেরকে মাঠ থেকে বের করে নেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য পর্যন্ত নেয়া হয়েছে ব্রাজিলের স্বাস্থ্যবিভাগ থেকে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরও ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা দুই দলের ফুটবলাররাই ম্যাচটি চালিয়ে নেয়ার পক্ষে ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি।

এদিকে শুরুর ৬ মিনিটেই ম্যাচ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টেলিভিশন লাইভে হতাশা প্রকাশ করেন লিওনেল মেশি। এই ফুটবল জাদুকর প্রশ রেখেছেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি না করে তিনদিন আগেই কেন জানানো হলো না এমন নিয়মের ব্যাপারে। মেসির ভাষ্য, ‘’আমরা তিনদিন আগে এসেছি (ব্রাজিলে)।

তারা তো তখনই আমাদের বিদায় করে দিতে পারতো। এটা আসলেই খুব দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।‘’ ম্যাচ বাতিল হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবলের নিয়ম অনুযায়ী পূর্ন ৩ পয়েন্ট পেতে পারে আর্জেন্টিনা। এক্ষেত্রে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ৩ পয়েন্ট খোয়াতে হবে ব্রাজিলকে। যদিও এ ব্যাপারে এখনোও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি কনমেবলের কাছ থেকে।

Sharing is caring!