যুদ্ধবিমানের আকাশসীমা লঙ্ঘন, চীনের মুখোমুখি মুসলিম দেশ!

মালয়েশিয়ার আকাশসীমার কাছে বিমান মহ’ড়া চালিয়ে চীন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে মালয়েশিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন হয়েছে বলে জানিয়েছে মাল’য়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিশামুদ্দিন হুসেইন। অন্যদিকে বেইজিং এই অ’ভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করছে, আ’ন্তর্জাতিক আইনের প্রতি পূর্ণ সম্মান জানিয়েই সেদেশের যু’দ্ধ’বিমানগুলো নিয়মিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে অংশ নিয়েছে।

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ, তার দেশের পূর্বাঞ্চলীয় সারাওয়াক প্রদেশের আকা’শসীমার কাছে বি’মান মহড়া চালানোর প্রতিবাদে তিনি কুয়ালালামপুরে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতকে তলব করবেন। কোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অর্থ এই নয় যে, আমরা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপোষ করব।

এর একদিন আগে চীন ও মালয়েশিয়ার মধ্যবর্তী বিতর্কিত আকাশসীমায় চীনা জ’ঙ্গিবি’মানকে প্রতি’হত করার উ’দ্দেশ্যে নিজের যু’দ্ধ’বি’মান পাঠায় মা’লয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার বিমান বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটে সারাওয়াক প্রদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সর্বপ্রথম চীনা জ’ঙ্গি’বি’মান ধরা পড়ে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ১৬টি চীনা জ’ঙ্গি’বি’মান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৩ হাজার থেকে ২৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ২৯০ নটিক্যাল মাইল বেগে মালয়েশিয়ার পানিসীমার আ’কাশে অনুপ্রবেশ করে। এ সময় চীনা পাই’লটরা তাদের পরিচয় প্রদানের আহ্বান বারবার উপেক্ষা করতে থাকে। এক পর্যায়ে চীনা বিমানগুলো গতিপথ পরিবর্তন করে চলে যায়।

মালয়েশিয়ার বিমান বাহিনীর বিবৃতিতে এ ঘটনাকে সেদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও বিমা’ন নিরাপত্তার ল’ঙ্ঘন বলে অভিহিত করে। তবে মালয়েশিয়ার এ দাবি নাকচ করে দিয়ে চীন বলেছে, এসব বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে অংশ নিয়েছিল এবং কোনো বিশেষ দেশকে টার্গেট করে এগুলোকে আকাশে ওড়ানো হয়নি।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.