রাজস্থানের বোলারদের কাটার-ইয়র্কার শিখিয়েছেন মুস্তাফিজ

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চতুর্দশ আসরে মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসে। বিদেশি তারকা বোলাররা ইঞ্জুরিতে পরায় করোনায় আসর পণ্ড হওয়ার আগপর্যন্ত মুস্তাফিজই নেতৃত্ব দিয়েছেন রাজস্থানের পেস আক্রমণকে। এ সময় তার কাছে কাটার ও ইয়র্কার শিখতে চাইতেন রাজস্থানের তরুণ তিন স্থানীয় পেসার।

চেতন সাকারিয়াদের সাথে মাঠে মুস্তাফিজের রসায়ন জমেছিল ভালো। মাঠের বাইরেও তিনি ছিলেন তাদের পরামর্শকের ভূমিকায়। তাদের শেখার আগ্রহ দেখে মুগ্ধ বাংলাদেশি পেসার।তিনি বলেন, ‘ওদের শেখার আগ্রহ অনেক বেশি। এদিকটা আমার খুব ভালো লেগেছে।

আমার কাছে শোনে আমি কীভাবে কাটার মারি কিংবা ইয়র্কার মারি, ইয়র্কার খুব ভালো ছন্দে যাচ্ছিল। কোন জায়গায় তাকালে আমার ইয়র্কার ভালো হয়, রানআপ দ্রুত যাব নাকি আস্তে যাব- অনেকভাবেই জানতে চায় ওরা। আমি আমার উত্তর বলি, সেভাবে ওরাও চেষ্টা করে।’

আইপিএল স্থগিত ঘোষণার আগে ৭টি ম্যাচ খেলেছিল রাজস্থান, মুস্তাফিজ একাদশে ছিলেন প্রতিটি ম্যাচেই। খেলার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অধিনায়ক স্যাঞ্জু স্যামসনের আস্থার প্রতীক ছিলেন তিনি। স্যামসন যেমন মুগ্ধ ছিলেন মুস্তাফিজের বোলিংয়ে, মুস্তাফিজ তেমনি স্যামসনের নেতৃত্বে মুগ্ধ।

তিনি বলেন, ‘অধিনায়ক খুবই খুবই ভালো মানুষ। আসার পর থেকেই আমার ভালো লেগেছে, যেদিন হাই-হ্যালো হয়েছে ওখান থেকেই। খুব হেল্পফুল। মাথা গরম করা ক্যাপ্টেন না। মাথা ঠাণ্ডা সবসময়। দলের জন্যও ভালো। ভালো-খারাপ সব সময়ে ভাবে কীভাবে ভালো করা যায়।’ ভাষা জটিলতা তো আছেই, ছিল নতুন দলে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।

এর আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে খেলা মুস্তাফিজ অবশ্য দ্রুতই মানিয়ে নেন প্রথমবারের মত রাজস্থানে খেলতে গিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়নি এখানে নতুন এসেছি। খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ- দলের সবাইকে দেখে মনে হয়েছে এটা আমার পুরনো দল। খুব ভালো সময় কেটেছে। সবাই অনেক হেল্পফুল।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.