রানার-আপ হলেই বাংলাদেশের সুবিধা বেশি

বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে কোয়ালিফাই করতে হলে বাংলাদেশকে খেলতে হবে প্রথম রাউন্ডে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ যদি চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে সুপার টুয়েলভে খেলতে হবে গ্রুপ ‘২’-এ। সেক্ষেত্রে সুপার টুয়েলভ বাংলাদেশের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।

প্রথম রাউন্ডে চ্যাম্পিয়ন হলে বাংলাদেশকে খেলতে হবে ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তানের মত দলের বিপক্ষে। অন্যদিকে রানার-আপ হলে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত দলের বিপক্ষে লড়তে হবে। আশরাফুলের মতে, আরব আমিরাতের কন্ডিশনে এশিয়ার বাইরের দেশগুলোই সহজ প্রতিপক্ষ হবে বাংলাদেশের জন্য।

তিনি বলেন, “গ্রুপ ‘১’ এ গেলে আমাদের সুযোগ থাকতে পারে (সেমিফাইনালে যাওয়ার)। উইকেট যদি স্লো হয়… আমাদের মুস্তাফিজ, সাকিব অসাধারণ ফর্মে আছে। বোলিং দিয়ে হয়ত আমরা তাদের আটকাতে পারব। গ্রুপ ‘২’ এ এশিয়ার দলগুলো। তারা স্পিন ভালো খেলে, আমাদের বোলারদের ভালোভাবে সামাল দিতে পারবে।”

‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ লড়বে ওমান, পাপুয়া নিউগিনি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। রানার-আপ হওয়া মানে কারও না কারও কাছে পরাজয়। সহযোগী দেশের কাছে হার মানা নিশ্চয়ই স্বস্তিকর হবে না। সার্বিক দিক বিবেচনায় আশরাফুল তাই এশিয়ান পরাশক্তিদের এক গ্রুপেই দেখতে চান। তিনি বলেন, “প্রথম রাউন্ড ইনশাআল্লাহ সহজভাবেই পার হবো।

সুপার টুয়েলভে ‘বি’ গ্রুপে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি, এশিয়ার গ্রুপে, যেখানে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান আছে। একটু কঠিন তো হবেই। গ্রুপ ‘১’ এ যেতে হলে প্রথম রাউন্ডে রানার-আপ হতে হবে, হারতে হবে। এটা তো অবশ্যই চাই না স্কটল্যান্ড, ওমান ওদের সাথে হারব। যদিও ক্রিকেট, তবে আশা করি তিনটি ম্যাচই জিতব।

এশিয়ার গ্রুপটাতেই হয়ত পড়ব।” “তারপরও প্রথম রাউন্ডে চ্যাম্পিয়ন না হয়ে সুপার টুয়েলভে ওঠা আমাদের জন্য বাজে হবে। তাই কোন গ্রুপের হয়ে সুপার টুয়েলভ খেলবো সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি মনে করি ম্যাচ বাই ম্যাচ চিন্তা করে ভালো ক্রিকেট খেলাই গুরুত্বপূর্ণ।”- বলেন আশরাফুল।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.