লাবুশানের চোখে ‘পারফেক্ট ব্যাটার’ যারা

ইতিহাসের প্রথম ‘কনকাশন সাব’ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলে সুযোগ পেয়ে শেষ তিন বছরে নিজেকে দারুণভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মার্নাস লাবুশানে। এই মুহূর্তে তিনি বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট ব্যাটার। ২০১৮ সালে স্টিভেন স্মিথ মাথায় আঘাত পাওয়ায় অভিষেক হয়েছিল লাবুশানের। তাঁর ঝুলিতে এখন ৬টি সেঞ্চুরি ও ১২টি ফিফটি আছে। ২৭ বছরের ক্রিকেটার ২১টি টেস্ট ম্যাচ খেলে করেছেন ২১১৪ রান। তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের অপরিহার্য সদস্য।

লাবুশানে এখন অ্যাশেজের চতুর্থ টেস্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামীকাল বুধবার থেকে সিডনিতে শুরু এই ম্যাচ। এর আগে লাবুশানে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর দৃষ্টিতে ক্রিকেটবিশ্বের ‘পারফেক্ট ব্যাটার’ সম্পর্কে কথা বলেছেন। লাবুশানের চোখে ভারতের দুই ব্যাটিং মহাতারকা শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলি হলেন ‘পারফেক্ট ব্যাটার’। তবে তালিকায় আরো কিংবদন্তি ক্রিকেটারেরও নাম আছে।

লাবুশানে বলেছেন, ‘আমি শুরুতেই বলব শচীন টেন্ডুলকারের স্ট্রেইট ড্রাইভের কথা। যে শট সবাই দেখতে ভালোবাসে। শটটা যেমন দর্শনীয় তেমনই নিখুঁত। এরপর বলব রিকি পন্টিংয়ের ট্রেডমার্ক পুল শটের কথা। যা সবাই দেখতে ভালোবাসে। আমি বেছে নেব বিরাট কোহলির কাভার ড্রাইভ। সে যেভাবে খেলে, ব্যাটিংয়ে যে প্রাণশক্তির সঞ্চার করে তা অসাধারণ।

কেভিন পিটারসেনের ক্রিজে আগ্রাসন ও লেগ-সাইটে নেওয়া শটগুলো ভাবায় আমায়। পিটারসেন অনেকটা কোহলির মতো।’ লাবুশানের তালিকায় আছেন স্টিভ স্মিথ, জ্যাক কালিস, অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস ও কুমার সাঙ্গাকারা। তাঁর ভাষায়, ‘স্টিভ স্মিথের রানের ক্ষুধা, দায়বদ্ধতা ও নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার কথা বলতেই হবে।

জ্যাক কালিসের ধৈর্য, ক্রিজে থাকার ক্ষমতা, সাইমন্ডসের সেঞ্চুরির পর লাফিয়ে জড়িয়ে ধরা অসাধারণ লাগত। আমি বাঁহাতিদের কথা বললেই হেডেনের কথা বলি। ওই অফ ড্রাইভ ভোলা যায় না। কুমার সাঙ্গাকারার থেকে খাঁটি কাভার ড্রাইভ আর কাউকে নিতে দেখিনি। জাস্টিন ল্যাঙ্গারের কাট শট অনেকটা স্কয়ার ড্রাইভের মতো লাগত। মাইক হাসির কাভার ড্রাইভ ও পুল শটও দুর্দান্ত। অ্যালিস্টার কুকের বড় রান করার ক্ষমতাও ছিল দারুণ।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.