শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাল গাম্বিয়া!

রাখাইনে গণ’হ’ত্যার বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের দায়ের করা মা’ম’লায় (আইসিজে) সমর্থন এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি।

গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গাদের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ঘোষণার পর ভয়েস অফ আমেরিকাকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রতিক্রিয়ায় গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি বলেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গাদের গণ’হ’ত্যার মা’ম’লা নিয়ে বাংলাদেশ প্রচুর সমর্থন দিয়েছে। এছাড়া লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এজন্য আমরা বাংলাদেশ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আরো পড়ুন :বাংলাদেশিদের দেখলেই চেনা যায়, ওরা চিড়া খায়: বিজেপি নেতা কয়েকদিন আগেই দিল্লির রামলীলা ময়দানে থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, পোশাক দেখলেই চেনা যায় কারা সহিংসতা সৃষ্টি করছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকে (এনআরসি) কেন্দ্র করে গোটা ভারতজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় ওই মন্তব্য করেছিলেন মোদি।

‘পোশাক’ নিয়ে মোদির ওই মন্তব্য ঘিরে সেসময় বিতর্ক কম হয়নি। মোদির পর এবার তারই দলের এক প্রভাবশালী নেতা বললেন, খাওয়া দেখে চেনা যায় যে কারা বাংলাদেশি। নিজের বাড়িতে নির্মাণাধীন শ্রমিকদের চিড়া খাবারের অভ্যাস দেখে ওই মন্তব্য করেন বিজয়বর্গীয়।

বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের ইনদোরে সিএএ-এর সমর্থনে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে বিজেপি নেতা এবং দলটির অন্যতম কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এ মন্তব্য করেন।বিজয়বর্গীয় বলেন, তাঁর বাড়িতে নতুন একটি ঘর তৈরি করার কাজে লাগেন কয়েকজন রাজমিস্ত্রী।

তাঁদের খাওয়াদাওয়া তাঁর মতে অদ্ভুত, কেন না তাঁরা পোহা বা চিঁড়ে খান। ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে তাঁর সন্দেহ হয়, ওঁরা সকলে বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। এর দিনদুয়েক পর ওই রাজমিস্ত্রীরা কাজ বন্ধ করে দেন। এ নিয়ে এখনও পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেননি তিনি, তবে মানুষকে এ ব্যাপারে সাবধান করার চেষ্টা করছেন।

বিজয়বর্গীয় আরও বলেছেন, এক বাংলাদেশি জঙ্গি গত দেড় বছর ধরে তাঁর দিকে নজর রেখে চলেছে। তাই যখনই তিনি বাইরে যান, সঙ্গে থাকেন ৬ জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। এ দেশে হচ্ছেটা কী? বাইরের লোকেরা ইচ্ছেমতো ঢুকে পড়বে আর সন্ত্রাস তৈরি করবে?

তাঁর আরও বক্তব্য, গুজবে কান দেবেন না, নাগরিকত্ব আইন দেশের স্বার্থে আনা হয়েছে। প্রকৃত উদ্বাস্তু ও অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে এই আইন পার্থক্য গড়ে দেবে। এই অনুপ্রবেশকারীরা দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপদ, বিজয়বর্গীয় বলেছেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*