স্থানীয়রাই মেরামত করছে বাঁধ

সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে লন্ড ভন্ড করে দিয়েছে দেশের অনেক জায়গা।এতে ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরার উপজেলার চারটি ইউনিয়নে ৮ কিলোমিটার বেড়ীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সপ্তাহের অধিক সময় পের হলেও আজ অবধি ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধের মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন করেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

এমন অবস্থায় আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করছে উপজেলার অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। এতে সামনের আমবশ্যার প্রভাবে জোয়ারের পানির তীব্রতায় ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়ে বসবাসকারীরা পানিবন্দি হতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে কোনো উপায় না পেয়ে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন ও সোনারচর গ্রামবাসীর আর্থিক সহযোগিতা ও যুব সমাজের উদ্যোগে পুরান থানা সংলগ্ন পাকা রাস্তার সংযোগ ক্ষতিগ্রস্থ বেড়ীবাঁধটি মেরামতের কাজ শুরু করেছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার সাথে উত্তর সাকুচিয়া সংযোগ বাঁধ সড়কটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার পথে। দ্রুত এই সড়কটির মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন না করলে যেকোন সময়ে ভেঙ্গে মেঘনায় তলিয়ে যাবে ও উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনগণ এমন দাবী স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের।

স্থানীয়রা জানান, আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধের মেরামতের কাজ দ্রুত সময়ে না করতে পারলে সামনের আমবশ্যার জোয়ারে বাঁধ ভেঙ্গে পুরো উপজেলা প্লাবিত হতে পারে। এতে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পনিবন্দি হতে পারে বলে আশংকা করেছেন স্থানীয়রা।

একইভাবে বলেন হাজিরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক। তিনি জানান, তার ইউনিয়নে তিনটি পয়েন্টে বাঁধের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধের কাজ না করা হলে পানিবান্দি হতে পারে হাজার হাজার মানুষ।

এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আঃ রহমান বলেন, বাঁধ মেরামতে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বিকল্প বেড়ীবাঁধের কাজ চলছে। দ্রুত সময়ে বাঁধ নির্মান করা হবে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, আমাবশ্যা আসার পূর্বে বাঁধ মেরামত না করতে পারলে বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ বেড়ীবাঁধ মেরামতের জন্য পাউবোকে অবহিত করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *