হাসিতেই লুকিয়ে আছে চিরযৌবনের চাবিকাঠি

বয়স বেড়ে যাচ্ছে বলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন? নানান ঘরোয়া টোটকা, অ্যান্টি-এজিং ক্রিম মেখে মুখ থেকে বয়সের ছাপ মুছতে চাইছেন? এবার যাবতীয় দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে মন খুলে হাসুন। কারণ হাসির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে চিরযৌবনের রহস্য।

বাজারে নানাধরনের অ্যান্টি-এজিং ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায়। এছাড়াও রয়েছে বিশেষ কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট যেগুলো দিয়ে বলিরেখা বা ত্বকের ঢিলেভাব অনেকটাই প্রতিহত করা যায়। কিন্তুএ সব ট্রিটমেন্টের অধিকাংশই বেশ খরচসাপেক্ষ। কিন্তু যদি হাসতে পারেন, এসব কিছুই আর লাগবে না।

হাসির সময় আমাদের মুখের টিস্যু আর পেশিগুলো এমনভাবে নড়াচড়া করে যা অনেকটা ফেসিয়াল ব্যায়ামের মতো কাজ করে। এর ফলে মুখের টিস্যু আর পেশি টানটান ও সতেজ থাকে যা মুখের ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে। ফলে মুখে বলিরেখার প্রকোপ অনেক কম পড়ে।

অনেক সময় আমরা অবচেতনেই হাসির সঙ্গে তারুণ্যের সংযোগ খুঁজে পাই। যারা বেশি হাসিখুশি তাদের দেখতেও কমবয়সী বলে মনে হয়। এই তথ্যটি বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রতিষ্ঠিত। একই ব্যক্তির গম্ভীর মুখাবয়বের চেয়ে তার হাসিখুশি মুখ দেখতে বেশি তরুণ দেখায়।

দেখে নিন হাসি আর কি উপকার করে:
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: হাসি শরীরে স্ট্রেস হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং রোগ প্রতিরোধক শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন বৃদ্ধি করে।

অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়: হাসার কারণে ফুসফুস প্রসারিত হয়। ফলে আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রবেশ করে, যা পরবর্তী সময়ে আমাদের শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

রাগ কমাতে সাহায্য করে: হাসির মতো কোনো কিছুই এত দ্রুত রাগ প্রশমিত করতে সাহায্য করে না।
রক্তচাপ কমায়: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, হাসার সময় শরীরে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়, রক্তনালিগুলো প্রসারিত হতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শিরা-ধমনির ওপর চাপ কম পড়ে। আর এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *