হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম মারা গেছে!

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তিনি ঢাকার খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম ছিলেন। ইন্তেকালের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে মাওলানা খালিদ বিন নূর।

এর আগে গতকাল শনিবার তাকে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন তার ছেলে মাওলানা রাশেদ বিন নূর বলেছিলেন যে তার বাবা অতিমাত্রায় দুশ্চিন্তা ও বিশ্রামহীনতার কারণে হঠাৎ স্ট্রোক করেন। এরপর তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গারোদের ‘বাতিঘর’ জনিক নকরেক আর নেই টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী গারোদের সাংসারেক ধর্মের শেষ পুরোহিত জনিক নকরেক চিরবিদায় নিয়েছেন। গত শুক্রবার দুপুরে ১০৮ বছর বয়সে তিনি উপজেলার চুনিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে পরলোকগমন করেন।

গতকাল শনিবার শালবনের শ্মশানে গারো ধর্মের রীতিতে তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হয়। তাঁর চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মধুপুরে নিভে গেল সাংসারেক ধর্ম ও আদি সংস্কৃতির ‘বাতিঘর’।জনিক নকরেকের জন্ম ১৯১৪ সালে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উদয়পুরে। তাঁর নাতনি জবা আরেং জানান, তিনি ছয় ছেলে, তিন মেয়ে এবং ৩০ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।

বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী অনিতা নকরেক ২৫ বছর আগে পরলোকগমন করেন। মধুপুরের পীরগাছায় তাঁর নানার বাড়ি। সেই সূত্রে তিনি মধুপুরে ঘরজামাই হন। জনিক মধুপুর থেকে ৪০ কিলোমিটার হেঁটে ময়মনসিংহে মহাত্মা গান্ধীর জনসভায় গিয়েছিলেন। তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা বাংলোতে অবস্থানকালে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়া।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.