১৬ মাস পর দলে ফিরে সাফল্যের ‘রহস্য’ জানালেন রিয়াদ

১৬ মাস পর দলে ফিরে সাফল্যের ‘রহস্য’ জানালেন রিয়াদ

২০২০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট। ৪৮ বলে ২৫ রান করে ফিরলেন সাজঘরে। শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে আরও ভালো করা চাই, অন্তত ম্যাচ বাঁচানোর জন্য যা আবশ্যক। অথচ দ্বিতীয় ইনিংসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ শিকার গোল্ডেন ডাকের। তার উচ্চাভিলাষী শটে উল্টো হ্যাটট্রিক হয়ে গেল নাসিম শাহর।

সেই ‘ভুল’ এর পর একে একে তিন বার টেস্ট দল ঘোষণা করা হয়েছে, একবারও ছিল না রিয়াদের নাম। টেস্ট দলের নাজুক ব্যাটিং লাইনআপে রিয়াদের চেয়ে ভালো ব্যাটসম্যান আদৌ আছেন কি না বা থাকলেও কয়জন আছে- এ নিয়ে তর্ক করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন সমর্থকরাও। একসময় হয়ত টেস্টে নিজের শেষ দেখে ফেলেছিলেন রিয়াদও।

টানা চতুর্থবারও ব্রাত্য থেকে যান। তবে দল ঘোষণার ২ দিন পর অন্তর্ভুক্ত করা হয় রিয়াদকে। ঘটনাক্রমে জায়গা পান হারারে টেস্টের একাদশে। এরপর ১৬ মাস পর দলে ফেরা রিয়াদ খেলে বসলেন ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটাই। রিয়াদের এই অবিশ্বাস্য ও রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের রহস্য কী? অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার জানালেন, দীর্ঘদিনের বিরতির পর মানসিকভাবে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়াই কাজে লেগেছে।

রিয়াদ বলেন, ‘টেকনিক্যাল এডজাস্টমেন্টের বিষয় যতটা ছিল তার চেয়েও মেন্টাল এডজাস্টমেন্ট বেশি ছিল। যেহেতু অনেক দিন লাল বলে খেলিনি। চিন্তা করেছি কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়। বোলারদের নিয়ে চিন্তা করেছি, কে কখনও কতটুকু সিমের সাহায্যে বল করে। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। সব মিলিয়ে মানসিক ভারসাম্য ভালো থাকার কারণে ব্যাটিং ভালো হয়েছে।’

নিজেকে প্রমাণের জন্য রিয়াদ পারফর্ম করতে মুখিয়ে ছিলেন, দলের চাপের মুখে যা করতে পেরেছেন সার্থকভাবেই। তিনি বলেন, ‘এতটা সহজ ছিল না কারণ গত প্রায় দেড় বছর লাল বলের ক্রিকেটের বাইরে ছিলাম। এই সফরের আগেও প্রথমে স্কোয়াডে ছিলাম না, পরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তারপর থেকে মনোযোগ ছিল সুযোগ পেলে যেন পারফর্ম করতে পারি।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.