৩ তারিখ উড়াল দেবে টাইগাররা

সেই মার্চে নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে শুরু। তারপর শ্রীলঙ্কা সফর, ঘরের মাটিতে লঙ্কানদের বিপক্ষে ফিরতি সিরিজ, তা শেষ করে জিম্বাবুয়ে সফর এবং সবশেষ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও শেষ। সমান পাঁচটি করে ১০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার ক্লান্তিই শুধু না। দীর্ঘদিন ধরে থাকা জৈব সুরক্ষা বলয় থেকেও মুক্তি পেয়ে টাইগাররা এখন ছুটিতে।

ব্যক্তিগত পর্যায়ের অনুশীলন এর ব্যবস্থা থাকবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে যারা আছেন, তাদের জন্য শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সেন্টার উইকেট, ইনডোর ও একাডেমি মাঠে অনুশীলনের সবরকম সুযোগ থাকবে। তবে ওমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দেশের মাটিতে জাতীয় দলের কোন আনুষ্ঠানিক অনুশীলন হবে না।

আজ রাতে জাগো নিউজকে এ তথ্য দিয়েছেন আকরাম খান। রোববার সন্ধ্যার পর আকরাম জাগো নিউজকে জানান, আমরা সব রকম প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবো। শেরে বাংলায় ব্যক্তিগত পর্যায়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সবাই ঐচ্ছিক অনুশীলন করতে পারবে। তবে আনুষ্ঠানিক দলীয় অনুশীলন প্র্যাকটিস হবে না।

হওয়ার আসলে সুযোগও নেই। কারণ টানা খেলার পর ক্রিকেটারদের পাশাপাশি কোচিং স্টাফরাও ছুটিতে। হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো, ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স, পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন, স্পিন কোচ রঙ্গনা হেরাথ, ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুকসহ সব বিদেশি কোচই ছুটিতে নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। তারা আপাতত আর ঢাকায় আসবেন না। সবাই ওমানে গিয়ে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দেবেন।

জাতীয় দল পরিচর্যা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান যোগ করেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আগামী ৩ অক্টোবর দেশ ত্যাগ করবে জাতীয় দল। প্রাথমিকভাবে ওমানে ৬ দিন কোয়ারেন্টাইনের পর এক সপ্তাহের অনুশীলন ক্যাম্প করবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে আগামী ১৭ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের সঙ্গে প্রথম ম্যাচ টাইগারদের। তারপর স্বাগতিক ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির সঙ্গে খেলার পর সেরা দুইয়ে থাকলে বিশ্বকাপের সুপার-১২’র টিকিট পাবে বাংলাদেশ। যেখানে বি গ্রুপে হট ফেবারিট ভারত, অন্যতম ফেবারিট পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানের সঙ্গে খেলতে হবে টাইগারদের।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.