৫৭ বছরে এমন জুটি দেখেননি লয়েড

ক্রিকেট ব্যাকরণকে বুড়ো আঙুল দেখানো অদ্ভুত ব্যাটিং স্টান্স, অপ্রথাগত টেকনিক। ররি বার্নস ও ডমিনিক সিবলির ব্যাটিং নিয়ে আলোচনা ছিল আগে থেকেই। সেসব আলোচনা আরও বেশি উচ্চকিত হয়েছে দুই ইংলিশ ওপেনারের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায়। চলছে তুমুল সমালোচনা।

জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার, সাবেক ক্রিকেটার, কোচ ও আম্পায়ার ডেভিড লয়েড তো বলেই দিলেন, তার ক্রিকেট জীবনে এমন হাস্যকর ব্যাটিং স্টান্সের জুটি আগে দেখেননি।ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজে চরমভাবে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের এই উদ্বোধনী জুটি। চার ইনিংসে বার্নসের রান ০, ১৮, ৪৯ ও ০। সিবলির রান ১৮, ২৮, ১১ ও ০।

লর্ডসে শেষ দিনে ইংল্যান্ডের হারের ম্যাচে শেষ ইনিংসে দুই ব্যাটসম্যানই আউট হন শূন্য রানে। ইংল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম দেশের মাঠে দুই ওপেনারই ফেরেন রান না করে।বাঁহাতি বার্নস খেলে ফেলেছেন ২৭ টেস্ট, সিবলি ২২টি।

ধারাবাহিক হতে পারেননি তারা কখনোই। দুজনের ব্যাটিং স্টান্স ও টেকনিকও আতশি কাচের নিচে ছিল বরাববরই। এই সিরিজের ব্যর্থতার পর তাদের কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে আবার। মেইলঅনলাইনে তো তাদের ধুয়ে দিলেন লয়েড।

জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার, সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ ডেভিড লয়েড।জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার, সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ ডেভিড লয়েড।“এটা ভাঙা রেকর্ডের মতো বেজেই যাচ্ছে যে (ওপেনারদের ব্যর্থতার কারণে) প্রতিবারই বাজে অবস্থা থেকে দলকে টেনে তুলতে হচ্ছে জো রুটকে।

ররি বার্নস ও ডম সিবলি যেভাবে দাঁড়ায় (স্টান্সে), এমন কোনো উদ্বোধনী জুটি আমি ৫৭ বছরে (ক্রিকেটের সঙ্গে থাকার) দেখিনি। কখনোই নয়! এটা কমেডি ক্রিকেট এবং এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।শুধু স্টান্স ও টেকনিকেই নয়, ইংল্যান্ড জাতীয় দলের সাবেক কোচ লয়েড প্রশ্ন তুলছেন ইংলিশ টপ অর্ডারের ব্যাটিংয়ের ধরন নিয়েও।

“ভারতের উদ্বোধনী জুটির দিকে তাকান। রোহিত শর্মা ও কেএল রাহুল সঠিকভাবে দাঁড়ায় (স্টান্সে) এবং যদিও তারা ইংল্যান্ডের সর্বকালের সফলতম বোলার জেমস অ্যান্ডারসনকে খেলছে, তার পরও ডিফেন্স করার ও রান করার পথ বের করে ফেলে। আমাদের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের তো মনে হয় রান করার ইচ্ছাই নেই-তারা যেন স্রেফ ব্লকাথন (ব্লকের পর ব্লক) করতে নামে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.